Templates by BIGtheme NET
Home / জীবনযাপন / ১০ পদক্ষেপে গড়ে তুলুন সুস্থ খাদ্যাভ্যাস

১০ পদক্ষেপে গড়ে তুলুন সুস্থ খাদ্যাভ্যাস

শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী দেহের সঠিক ওজন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রয়োজন সুস্থ খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা। এক্ষেত্রে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আপনার বাড়তি ওজন থাকলে তা যেমন ছেটে ফেলা উচিত তেমন কম ওজন থাকলে তাও বাড়ানো উচিত। কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে সুস্থ খাদ্যাভাস গড়ে এ বিষয়টি সহজেই নিশ্চিত করা যায়। এ লেখায় রয়েছে সেজন্য কয়েকটি উপায়।
১. ফুড ডায়েরি
আপনার প্রতিদিনের খাবারের বিস্তারিত লিপিবদ্ধ করুন ফুড ডায়েরিতে। এতে আপনার দৈনন্দিন ক্যালরি গ্রহণের তালিকাও সংরক্ষণ করুন। এরপর আপনার দৈনন্দিন কতখানি ক্যালরি দরকার এবং বাস্তবে কতখানি গ্রহণ করছেন, তার তুলনা করুন। সততার সঙ্গে এ হিসাবটি করতে পারলে আপনার ক্যালরি গ্রহণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ যেমন সম্ভব হবে তেমন অন্যান্য পুষ্টিও কতখানি গ্রহণ করছেন তা জানা সম্ভব হবে।
২. ছোট ছোট পরিবর্তন করুন
ওজন নিয়ন্ত্রণে যদি খাবার কিংবা পানীয় বাড়াতে বা কমাতে হয় তাহলে ছোট ছোট পরিবর্তন করুন। যেমন সাধারণ দুধের বদলে কম ফ্যাটযুক্ত দুধ খাওয়া, মিষ্টি সপ্তাহে শুধু একবার খাওয়া, চা থেকে চিনি বাদ দেওয়া, ভাজা-পোড়ার বদলে তাজা ফলমূল খাওয়া, মাংসের বদলে মাছ খাওয়া ইত্যাদি।
৩. বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করুন
অনেকেই ওজন নিয়ন্ত্রণে কিংবা সুস্বাস্থ্যের জন্য এমন লক্ষ্য নির্ধারণ করেন, যা পালন করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। আর তখনই সম্পূর্ণ বিষয়টি বাদ দিতে হয়। এ কারণে লক্ষ্য নির্ধারণে সাবধান থাকতে হয় যেন সম্পূর্ণ বিষয়টি ভণ্ডুল হয়ে না পড়ে।
৪. প্রোটিন ও আঁশজাতীয় খাবার
সকালের নাস্তায় বেশি করে প্রোটিন গ্রহণ করলে তা দিনের অন্য সময়ে ক্ষুধা কম রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া রয়েছে উচ্চমাত্রায় আঁশজাতীয় খাবার খাওয়া। এটিও সুস্থ থাকতে সহায়তা করে।
৫. খাবারে মনোযোগী হোন
খাওয়ার সময় খাবারের দিকেই মনোযোগী হোন। খাবার হিসেবে আপনি কী কী গলাধঃকরণ করছেন সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। ভালোভাবে চিবিয়ে খান। এ সময় টিভি দেখা, পড়াশোনা করা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচরণ কিংবা কম্পিউটারে কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।
৬. পানিযুক্ত খাবারে অগ্রাধিকার
যেসব খাবারে বেশি পানি রয়েছে সেসব খাবার বেশি করে খান। টমেটো, রসালো ফলমূল, ডাল ও ঝোলযুক্ত খাবার, সুপ ইত্যাদি আপনার পেট দ্রুত ভর্তি হওয়ার অনুভূতি দেবে। তাই এসব খাবারে অগ্রাধিকার দিন।
৭. চিনি ও সাদা কার্বহাইড্রেট বাদ
চিনি কিংবা মিষ্টি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া রয়েছে সাদা ময়দায় তৈরি ধবধবে রুটি, বিস্কুট ইত্যাদি উপাদান। এসব খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন।
৮. সীমিত কার্বহাইড্রেট
মূল খাবারে কার্বহাইড্রেট বাদ দেওয়ার উপায় নেই। এটি সীমিত মাত্রায় প্রয়োজন রয়েছে। তবে তা যেন সঠিক উৎস থেকে আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। এক্ষেত্রে ঢেঁকিছাটা চাল, লাল আটা, মিষ্টি আলু, ডাল, সালাদ ইত্যাদি গ্রহণ করতে পারেন।
৯. ওজনকে ভয় নয়
আপনার দেহের ওজন বেশি হলেই যে সেজন্য উদ্বিগ্ন হয়ে পড়তে হবে এমন কোনো কথা নেই। একইভাবে কম ওজনের ক্ষেত্রেও উদ্বিগ্ন না হয়ে সমস্যা সমাধানে মনোযোগী হতে হবে। অন্যথায় বাড়তি উদ্বেগ সমস্যা সমাধান না করে বরং আপনাকে মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত করতে পারে।
১০. খাবারে বৈচিত্র
একঘেয়ে খাবারে নানা বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এ কারণে আপনার খাবারের প্লেট যেন প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন খাবার ওঠে, সেজন্য মনোযোগী হন।
–ডেইলি মেইল অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful