Templates by BIGtheme NET
Home / বিনোদন / সালমানের ৫০তম জন্মদিনে জেনে নিন তাঁর সেরা ছবিগুলোর কথা

সালমানের ৫০তম জন্মদিনে জেনে নিন তাঁর সেরা ছবিগুলোর কথা

২৭ বছর ধরে বলিউডে নানা চরিত্রে আবির্ভূত হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা দাবাং ভাইজান সালমান খান। এত বছরের ক্যারিয়ারে কাজ করেছেন অসংখ্য চলচ্চিত্রে। ১৯৮৯ সাল থেকে বলিউডে ‘প্রেম’য়ের ভূমিকায় যাত্রা শুরু করেছিলেন সালমান। ২০১৫ তেও ‘প্রেম’ হয়েই আছেন তিনি।

আজ এই বৈচিত্র্যময় অভিনেতার ৫০তম জন্মদিন। তার দীর্ঘ অভিনয় জীবনের সেরা চলচ্চিত্র সম্পর্কে জানব আমরা।

ম্যায়নে পেয়ার কিয়া (১৯৮৯)

১৯৮৯ সালে ‘প্রেম’ চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বলিউডে পা রাখেন সালমান খান৷ নায়িকা ছিলেন ভাগ্যশ্রী৷ নতুন জুটি৷ নতুন কনসেপ্ট, গান ও সহজ সরল কাহিনি মাতিয়ে দিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে। সেই থেকে আগামি তিন দশকে বলিউডের জনপ্রিয় ক্রেজ সালমান৷ সারা দেশের তরুণীদের বুকে স্বপ্নের পুরুষ হয়ে জায়গা করে নিলেন ‘প্রেম’ রূপে সালমান খান৷এই ছবিটি শুধু সে বছরের ব্লকবাস্টারই নয়, দু’দশক পরেও বলিউডে প্রেমের ধারণা ও বিবর্তন জানান দিতে আজও মাইলফলক হয়ে আছে৷

হাম আপকে হ্যায় কৌন (১৯৯৪)

এ ছবিতে মাধুরী দীক্ষিতকে সঙ্গে নিয়ে আরও একবার ‘প্রেম’ হয়ে হাজির হলেন সালমান৷ বলিউডে প্রেমের প্রতিনিধি হয় প্রেম-নিশা জুটিও৷ মোট ৫টি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল ছবিটি৷ সবথেকে জনপ্রিয় ছবি হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিল৷ আজও রোম্যান্টিকতার অনিবার্য প্রতিনিধি হয়ে আছে এ ছবিটি৷

পেয়ার কিয়া তো ডরনা ক্যায়া (১৯৯৮)

এ ছবিতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন মেধাবী অভিনেত্রী কাজল৷ শার্টখোলা সালমানে দিওয়ানা হয়ে গেল গোটা সিনেমাজগতের বাসিন্দারা৷ আর ছবির ‘ও জানে জানা’ গানটি পেয়েছিল তুমুল জনপ্রিয়তা৷

বিবি নাম্বার ওয়ান (১৯৯৯)

এতদিনের চেনা ‘প্রেম’ এই ছবিতে দেখা দিলেন অন্যভাবে৷ এখানে তাঁর নায়িকা একজন নয়, বরং ঘরে ‘বিবি’ থাকা সত্ত্বেও জড়ালেন পরকীয়ায়৷ বলিউডের এই স্পষ্ট বার্তা এল সালমানের হাত ধরেই৷

হাম দিল দে চুকে সনম (১৯৯৯)

একই বছর এ ছবিতে সালমানকে পাওয়া গিয়েছিল একেবারে অন্যরূপে৷ রোমান্স ও ট্র্যাজেডির মিশেলে তৈরি সঞ্জয় লীলা বনশালীর এ মাস্টারপিসে নিজের অভিনেতা সত্ত্বাকে অনেকখানি প্রকাশ করতে পেরেছিলেন এই নায়ক৷

তেরে নাম (২০০৩)

আরও একবার মেইনস্ট্রিম ছবিতে নিজেকে অভিনেতা হিসেবে চিনিয়ে দিলেন সালমান৷ এক মানসিক ভারসাম্যহীনের চরিত্রে ছিলেন তিনি৷ বিপরীতে ছিলেন দক্ষিণের নবাগতা অভিনেত্রী ভূমিকা চাওলা৷ পুরোদস্তুর ট্র্যাজেডিতেও বাজিমাত করেছিলেন সালমান৷

ওয়ান্টেড (২০০৯)

ক্যারিয়ারে নতুন এক রঙ দিল যেন এ ছবিটি৷ এ ছবি দিয়ে শুরু করলেন নতুন ইনিংস৷ এক আইপিএস অফিসারের ভূমিকায় দেখা গেল তাকে। এ ছবির পর একের পর এক ছবিতে তাঁকে কখনও দেখা গেল পুলিশ অফিসার হয়ে, তো কখনও সিক্রেট এজেন্সি সার্ভিসের এজেন্ট হিসেবে৷ এ ছবি চেনাতে শুরু করলো আরেক সালমানকে।

দাবাং (২০১০)

এ ছবির মাধ্যমে বলিউডকে নিজের মুঠিতে নিলেন আরও একবার৷ শুধু নিজের ক্যারিয়ার নয়, বলিউডি সিনেমার ঘরানায় নতুন এক ধরনের সংযোজন করলো এ ছবি৷ পাল্টে গেল বলিউডি বাজারের দৃশ্যটাই৷ বলিউডের কোটির ক্লাবের শুরুটা তার মাধ্যমেই শুরু করলেন প্রযোজকরা৷

বাজরাঙ্গি ভাইজান (২০১৫)

নিঃসন্দেহে সালমানের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ছবি এটি৷ কথা বলতে না পারা এক পাকিস্তানি  বাচ্চা মেয়েকে তার দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার কাহিনিতে যেভাবে দেশপ্রেম ও বলিউডি বাণিজ্যিক ফর্মুলাকে তিনি নিজের কাঁধে টেনে নিয়ে গিয়েছেন, তা একমাত্র ব্র্যান্ড সালমানের পক্ষেই সম্ভব৷

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful