Templates by BIGtheme NET
Home / খেলাধুলা / শ্বাসরুদ্ধকর প্রথম ম্যাচে রংপুরকে জেতালো ‘অভিজ্ঞতা’

শ্বাসরুদ্ধকর প্রথম ম্যাচে রংপুরকে জেতালো ‘অভিজ্ঞতা’

এমনটিই, ঠিক এমন একটি শুরুই যেন চেয়েছিল বিপিএল-২০১৫। ২ বছর পর মাঠে গড়ালো বিপিএল, ঢেলে সাজানো এবারের আসরের আগে দলগুলি দেখে ঠিক বোঝাই যাচ্ছিল না আসলে সবচেয়ে শক্তিশালী দল কোনটি। প্রত্যেক দলের শক্তি-সামর্থ্য নয়ে সবাই ছিল অনেকটা দ্বিধায়, আর এই দ্বিধাটাকেই সত্য আর প্রাণবন্ত করে তুলতেই কি না বিপিএলের ৩য় আসরের শুরুটা হল এমন শ্বাসরুদ্ধকর একটি ম্যাচ দিয়ে!

ম্যাচের একদম শেষ বলে নির্ধারিত হলো জয়-পরাজয়। আর অবিশ্বাস্যভাবে জয়ী দলটির নাম রংপুর রাইডার্স। ‘অবিশ্বাস্য’ বলা হচ্ছে একারণেই, কেননা ১৮৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে যে মাত্র ২৬ রানেই তারা হারিয়ে ফেলেছিল চার চারটি উইকেট।

তাহলে রংপুরকে জেতালো কে?

শুধু এক বা দুইজন খেলোয়াড়ের নাম উল্ল্যেখ করার চাইতে এটি বলা সহজ হবে যে, রংপুরকে এই জয় উপহার দিল ‘অভিজ্ঞতা’। যেই মিসবাহ ‘টুক টুক’ নামে খ্যাত, সেই মিসবাহই কিনা খেললেন রংপুরের ম্যাচজয়ী ইনিংস। মাত্র ৩৮ বলে ৬১ রানের এক কার্যকরী ইনিংস খেলে রংপুরকে জয়ের খুব কাছাকাছি নিয়ে যান তিনি। এরপর আরো দুই অভিজ্ঞ খেলোয়াড় থিসারা পেরেরা ও শেষদিকে ড্যারেন স্যামির ব্যাটে ভর দিয়ে জয় পায় রংপুর রাইডার্স। অবশ্য এর আগে ৩৮ রানের এক গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে রংপুরের প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দিয়ে যান আলামিন। পেরেরা মাত্র ১৭ বলে ৪৩, ও স্যামি শেষ দুই ওভারে ৭ বলে ১৮ রান করে রংপুরের জয় নিশ্চিত করে।

উল্লেখ্য যে, রংপুর দলে একমাত্র সাকিব ব্যতীত আর সব খেলোয়াড়দের ভেতরে শুধু এই ৩ জনেরই ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ১৫০টিরও বেশি টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
তাই বলা যায়, প্রথম ম্যাচে ‘অভিজ্ঞতার’ জোরেই জিতলো রংপুর রাইডার্স ।

স্কোর :
চিটাগাং ভাইকিংস ২০ ওভারে ১৮৭/৯ (তামিম ৫১, মেন্ডিস ৩৯, আনামুল ৩৬, সজীব ৩/২৬)
রংপুর রাইডার্স ২০ ওভারে ১৯১/৮ (মিসবাহ ৬১, পেরেরা ৪৩, আলামিন ৩৮, আমির ৪/৩০)

ফলাফল : রংপুর রাইডার্স ২ উইকেটে জয়ী

ম্যান অফ দি ম্যাচ : মিসবাহ উল হক (রংপুর রাইডার্স)

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful