Templates by BIGtheme NET
Home / জাতীয় / শেষমেশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন

শেষমেশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন

এ বছর বাংলা বর্ষবরণের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কয়েকজন নারীকে যৌন হয়রানির মামলায় আট আসামি শনাক্ত করে পুলিশ। আসামিদের ধরিয়ে দিতে এক লাখ টাকা করে মোট আট লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। সেই মামলায় ঢাকার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। ২২ ডিসেম্বর ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক দীপক কুমার দাস ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর সরকারি কৌঁসুলি আবদুল্লাহ আবু প্রথম আলোকে বলেন, যৌন হয়রানির ঘটনায় আসামি চিহ্নিত হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করতে না পারা পুলিশের ব্যর্থতা। চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া ঠিক হয়নি। এ ধরনের স্পর্শকাতর মামলায় প্রয়োজনে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে আরও সময় নিতে পারতেন।
চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কয়েকজন নারীকে যৌন হয়রানি করা হয়। এ ঘটনায় ভিকটিমের নাম-ঠিকানা সংগ্রহের চেষ্টা করে পুলিশ। যৌন হয়রানির শিকার কেউ মামলা না করায় পুলিশ বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা করে। ২৩ এপ্রিল মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে ডিবি। তদন্তকালে মামলার ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ ও সাক্ষীদের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে আটজনকে শনাক্ত করা হয়। শনাক্ত আট আসামির ছবি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইলেকট্রনিক ও গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ধরিয়ে দেওয়ার জন্য এক লাখ টাকা করে মোট আট লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
চূড়ান্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসহ আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান ছিল। ওই অনুষ্ঠানে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন আসে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ৩ নম্বর ফটক থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত ভিড় ছিল। এই ভিড়ের মধ্যে সংঘবদ্ধ একদল নারী লাঞ্ছনাকারী ঘটনাস্থলে কয়েকজন নারীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। নারী লাঞ্ছনাকারীরা ভিড়ের মধ্যে কয়েকজন নারীর শাড়ি ধরে টান দেয়। তদন্তকালে তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় মামলার অভিযোগ সত্য মর্মে প্রমাণিত হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চিহ্নিত আটজনকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় আসামিদের নাম-ঠিকানা না পাওয়ায় মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হলো। তবে ভবিষ্যতে কোনো তথ্য উদ্ঘাটিত হলে মামলাটি পুনর্জীবিত করা হবে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক দীপক কুমার দাসকে ফোন করলে তিনি ফোন ধরেননি।
এ ঘটনার পর হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল দিয়েছিলেন। স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার, পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার, শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটিও গঠন করা হয়।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful