Templates by BIGtheme NET
Home / জাতীয় / মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণের আহবান ঢাবি উপাচার্যের

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণের আহবান ঢাবি উপাচার্যের

বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণের আহবান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

তিনি শনিবার রাতে বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) ‘আইবিএ গ্র্যাজুয়েশন-২০১৫’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিজ্ঞান, ব্যবসায় অনুষদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে মুক্তিযুদ্ধকে মনে রাখতে হবে, এর সম্মান সমুন্নত রাখতে হবে, চেতনায় ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আইবিএতে ভর্তির সুযোগ পান। দেশ ও জাতির প্রত্যাশাও তাদের কাছে অনেক। এ প্রত্যাশা পূরণে মাথা উঁচু রেখে, আন্তরিকতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

আইবিএ’র পরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এম সাইফুল মজিদের সভাপতিত্বে ‘আইবিএ অনুষ্ঠানে ইএমবিএ প্রোগ্রামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খায়ের জাহান সোগরা, এমবিএ প্রোগ্রামের চেয়ারপারসন ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বক্তৃতা করেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিবিএ প্রোগ্রামের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক নিয়াজ জামান। অনুষ্ঠানে গ্র্যাজুয়েট বক্তা ছিলেন সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান।

উপাচার্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ এবং ১৪ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ও শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরীহ ও নিরস্ত্র বুদ্ধিজীবীদের ওপর পাকিস্তানী বাহিনীর বর্বর আক্রমণের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সেদিন নজিরবিহীন গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন। সেই জন্যে গত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বিশ্ববিদ্যালয় পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিককালে ১৯৭১’র গণহত্যা নিয়ে পাকিস্তানের মিথ্যাচারের পর নিরব থাকার অর্থ তাদের মিথ্যাচার মেনে নেয়া। এখন থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ছাত্র বা শিক্ষক প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে যাবে না। পাকিস্তানের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড এখন থেকে স্থগিত থাকবে। পাকিস্তানিরা আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা না করা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

গ্র্যাজুয়েশন বক্তা মোহাম্মদ আজিজ খান বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতি মানুষের জীবনমানের উন্নতি ঘটিয়েছে। ব্যবসায় শিক্ষা, মাইক্রোসফট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তন এনেছে। প্রতিযোগিতার বাজারে পরিশ্রম ছাড়া এবং নতুন চিন্তা ছাড়া টিকে থাকা যাবে না। তাই ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে শিক্ষার্থীদের নতুন নতুন চিন্তা-ভাবনা বের করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গ্র্যাজুয়েট হিসেবে বিবিএ’র ১৯তম ব্যাচের ১০৪, এমবিএ’র ৪৮-৪৯তম ব্যাচের ১৩০ এবং ইএমবিএ’র ১৬ ও ১৭ তম ব্যাচের ৫৪ জন শিক্ষার্থীর হাতে উপাচার্য সনদপত্র তুলে দেন। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় অনুষ্ঠানে ৫ শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। স্বর্ণপদকপ্রাপ্তরা হলেন, বিবিএর সাবা হোসাইন খান, এমবিএর রাফিয়া আফরিন এবং এমবিএর (সান্ধ্য) মুনতাসির কাইয়ূম খান, মনজুর মোশাররফ ও গাজী মুহাম্মদ রাসেল বিন হোসাইন।

সূত্র: বাসস

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful