Templates by BIGtheme NET
Home / অর্থনীতি / ব্যবসায়ীদের সন্তুষ্টি নিয়ে জরিপ করবে এনবিআর

ব্যবসায়ীদের সন্তুষ্টি নিয়ে জরিপ করবে এনবিআর

কর দেওয়ার পরিবেশ নিয়ে ব্যবসায়ীদের তথা করদাতার সন্তুষ্টি জরিপ করবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ জরিপের মাধ্যমে ছোট-বড় মিলিয়ে এক হাজার প্রতিষ্ঠানের মালিক বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকে মতামত নেওয়া হবে। প্রথমবারের মতো জরিপটি করবে এনবিআরের মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বিভাগ। এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্তের কারণে এ জরিপটি করা হচ্ছে নতুন মূসক আইন বাস্তবায়নের একটি ধাপ হিসেবে। আগামী জুলাই মাস থেকে নতুন মূসক আইনটি বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। এ ছাড়া আগামী তিন অর্থবছরে এ ধরনের আরও তিনটি জরিপ করবে এনবিআর। নতুন আইন বাস্তবায়নের আগেই প্রথম জরিপটি শেষ হবে।
এনবিআরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ১৫ মে থেকে জরিপের মাঠপর্যায়ের কাজ শুরু হবে। জুলাই মাসের দিকে জরিপের ফলাফল নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। তবে জরিপে অংশ নেওয়া কারও নাম প্রকাশ করা হবে না। ইতিমধ্যে জরিপ প্রতিষ্ঠান নিয়োগের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে এনবিআর।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনবিআরের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান বলেন, করদাতাদের সন্তুষ্টির বিষয়টি খুবই জরুরি। কেননা করদাতারা কর দিতে এসে কোনো ধরনের হয়রানি হচ্ছেন কি না, তা জানা জরুরি। পাশাপাশি কর আইনগুলো কতটা করবান্ধব এবং করদাতারা কীভাবে আরও সহজে কর দিতে চান—এসব বিষয় জানাও জরুরি। এ ধরনের জরিপের মাধ্যমে সেসব বিষয় উঠে আসবে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, জরিপে বিভিন্ন খাতের এক হাজার নমুনা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হবে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলো চূড়ান্ত করা হবে। এর মধ্যে ৭০০ প্রতিষ্ঠান নেওয়া হবে, যাঁরা আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে মূল্য সংযোজন কর দেয়, সেখান থেকে। আর বাকি ৩০০ প্রতিষ্ঠান বাছাই করা হবে, যেসব প্রতিষ্ঠান টার্নওভারভিত্তিক মূসক দেয়, সেখান থেকে।
নতুন মূসক আইন অনুযায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক টার্নওভার ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে তাদের কোনো মূসক দিতে হবে না। কিন্তু বার্ষিক টার্নওভার ৩০ লাখ থেকে ৮০ লাখ টাকা হলে সে ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ হারে মূসক দিতে হবে। আইনটি বাস্তবায়িত হলে প্যাকেজ মূসক প্রথা উঠে যাবে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি এস এ কাদের কিরণ প্রথম আলোকে বলেন, তিন বছর ধরেই ব্যবসায় মন্দা যাচ্ছে। কিন্তু মূসক বিভাগের লোকজন মূসকের জন্য চাপ দিচ্ছেন। নানা ধরনের হয়রানি করা হচ্ছে। হয়রানির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র জব্দ করার আগে দুবার নোটিশ দিতে হয়। নোটিশের কোনো জবাব না পেলে তৃতীয়বার এসে কাগজপত্র জব্দ করতে পারে মূসক বিভাগ। কিন্তু এখন মূসক বিভাগের লোকজন প্রথমবার এসেই সব কাগজপত্র নিয়ে যান।
অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের উপদেষ্টা মনজুর আহমেদ মনে করেন, নতুন মূসক আইনটি বাস্তবায়নযোগ্য নয়। তাই করদাতার সন্তুষ্টি অর্জনও কঠিন হবে। এ আইনে বড় ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো বেশি সুবিধা পাবে। ছোট প্রতিষ্ঠান ক্রমশ পিছিয়ে পড়বে।
উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে ৬৪ হাজার ২৬৩ কোটি টাকার মূসক আদায়ের লক্ষ্য রয়েছে, যা এনবিআরের মোট লক্ষ্যের ৩৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। বর্তমানে মূসক নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় সাত লাখ।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful