Templates by BIGtheme NET
Home / খেলাধুলা / ‘বুকাননের বদলে আমার কুকুরের কোচিংয়েও অস্ট্রেলিয়া চ্যাম্পিয়ন হত’

‘বুকাননের বদলে আমার কুকুরের কোচিংয়েও অস্ট্রেলিয়া চ্যাম্পিয়ন হত’

সমালোচনার তীর সইতে না পেরেই অ্যাশেজ পরাজয়ের পর অবসরে চলে যান মাইকেল ক্লার্ক। সাবেক সতীর্থ ও কোচের কাছ থেকে পাওয়া সমালোচনার জবাব এত দিন পর দিলেন অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক।

‘অ্যাশেজ ডায়েরি ২০১৫’ নামের নতুন বইয়ে তিনি ধুয়ে দিয়েছেন অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস, ম্যাথু হেইডেন ও কোচ জন বুকাননকে। চলতি বছর অ্যাশেজ সিরিজের মাঝখানে হঠাৎ করে অবসরের ঘোষণা দেওয়া ক্লার্কের সমালোচনামুখর হয়েছিলেন তারা। এমনকি অস্ট্রেলিয়ার প্রতি তার আন্তরিকতা, দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তারা।

‘অ্যাশেজ ডায়েরি ২০১৫’-এ ক্লার্ক সবচেয়ে শানিত আক্রমণটা করেছেন সাবেক অস্ট্রেলীয় কোচ জন বুকাননকে।  যার কোচিংয়ে বিশ্বকাপের সঙ্গে টানা ষোলো টেস্ট জয়ের বিশ্বরেকর্ডও এসেছিল অস্ট্রেলিয়ায়। ক্লার্কের অধীনে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাগি গ্রিন অনেকটাই মর্যাদা হারিয়েছে; এমনই একটি মন্তব্য করেছিলেন জন বুকানন। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া দলের সংস্কৃতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।

জবাবে ক্লার্ক লিখেছেন, ‘আমি মনে করি না, বুকানন ব্যাগি গ্রিন (অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ক্যাপ) সম্পর্কে কিছুই জানেন। তিনি যে এটা কখনোই পরতে পারেননি। তিনি এ ব্যাপারটি হয়তো এখনো বুঝতে পারেন না যে, তিনি এমন একটি পরাক্রমশালী দলকে কোচিং করিয়েছেন, যে দলের কোচ হিসেবে যেকোনো ব্যক্তি, এমনকি আমার কুকুর জেরিও তেমনই সাফল্য পেত।’

বুট ক্যাম্পে মাইকেল ক্লার্ক এবং কোচ জন বুকানন। ছবিঃ গেটি ইমেজ

এক সময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সাইমন্ডস সম্পর্কে ক্লার্ক লিখেছেন, ‘অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস টেলিভিশনে আমার নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে যে, আমার নেতৃত্বগুণ বিচার করার অধিকার তার নেই। ইনি হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি কিনা দেশের জন্য খেলতে গিয়ে মদ্যপ হয়ে মাতালামো করেন। তার এই বিষয়ে তাই কোনো কথা না বলাই ভাল।’

প্রথম দিকে দুজনের মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব ছিল। তবে সাইমন্ডসের আচরণে অবনমন ঘটা এবং ক্লার্ক নেতৃত্বে আসার পর সে সম্পর্কের সমাপ্তি হয়। মদ্যপানের ওপর বোর্ডের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করায় ২০০৯ সালে সাইমন্ডসের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

ক্লার্ক ও সাইমন্ডস একসময় দুজনেই খুব ভালো ছিলেন। ছবিঃ কুরিয়ার মেইল

এদিকে দেশের চেয়ে ক্লার্ক নিজ স্বার্থকেই বেশি মূল্য দিতেন; এমন মন্তব্য করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকা ওপেনার ম্যাথু হেইডেন। তার মতে, ক্লার্ক কখনই টেস্টে ব্যাটসম্যানদের কাছাকাছি জায়গায় ফিল্ডিং করতে চাইতেন না। এমনকি তাকে তা করতে বাধ্য করা হলে ‘ব্যাগি গ্রিন’ ত্যাগ করবেন বলেও সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিংকে হুমকি দিয়েছিলেন ক্লার্ক।

হেইডেনের এই কথার উত্তরে ক্লার্ক লিখেছেন, ‘আমার মনে হয়, গত ১২ বছর আমি প্রমাণ করে দিয়েছে যে দেশ আমার কাছে কতটা মূল্যবান; ৩৮৯টি ব্যাগি গ্রিন আমার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। পন্টিং আমাকে হারবার ব্রিজ থেকে লাফিয়ে পড়তে বললে আমি তাই করতাম। কেননা, অস্ট্রেলিয়ার জন্য খেলতে আমি এমনই মরিয়া।’

ম্যাথু হেইডেন ও মাইকেল ক্লার্ক। ছবিঃ সংগৃহীত

বই নিয়ে বলাই বাহুল্য তোলপাড় চলছে। এখন দেখার বিষয় ক্লাকের জবাবের পালটা কনো জবাব আসে কিনা।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful