Templates by BIGtheme NET
Home / খেলাধুলা / বিদায় বললেন জনসন

বিদায় বললেন জনসন

বিদায় বলতে চেয়েছিলেন মাইকেল ক্লার্ক, ব্র্যাড হাডিনদের সঙ্গে। অ্যাশেজে পরাজয়ের পরপরই। অবশ্য খুব বেশি দিন অপেক্ষাও করলেন না মিচেল জনসন। গত কয়েক দিন ধরে পেয়ে বসা ভাবনাটাকে বাস্তবে রূপ দিয়ে দিলেন এই অস্ট্রেলিয়ান পেসার। বিদায় বলে দিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে।

বল হাতে সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছিল না। নিজের শেষ টেস্টেই (পার্থ) তো একটা অস্বস্তির রেকর্ডের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে ৩৪ বছর বয়সী পেসারের নামটা। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে নিয়েছেন মাত্র ১ উইকেট। তাতে খরচ করতে হয়েছে ১৫৭ রান! পার্থে আর কোনো অস্ট্রেলিয়ান বোলারকে এক ইনিংসে এত রান খরচ করতে হয়নি। জনসন ‘ ‘খরুচে’ ছিলেন ব্রিসবেন টেস্টেও। দুই ইনিংস মিলিয়ে রান দিয়েছেন ১৬৩, যদিও সেখানে উইকেট পেয়েছিলেন চারটি।

তবে এই দুটি টেস্টের সাধ্য নেই এই বাঁ হাতির পুরো ক্যারিয়ারের স্মৃতি ভুলিয়ে দেওয়ার! অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি তিনি।

পুরো ক্যারিয়ারে নিয়েছেন ৩১১টি উইকেট। মঙ্গলবার পার্থ টেস্টের পঞ্চম দিনে নিজের শিকার আরও বাড়িয়ে নিতেই চাইবেন জনসন। অস্ট্রেলীয় বোলারদের মধ্যে উইকেট শিকারে তাঁর ওপরে আছেন কেবল ডেনিস লিলি (৩৫৫), গ্লেন ম্যাকগ্রা (৫৬৩) ও শেন ওয়ার্ন (৭০৮)। সংখ্যার হিসেবটা পরিসংখ্যানবিদদের জন্যই তোলা থাক, জনসন ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে এমনিতেই জায়গা করে নিয়েছেন তাঁর আগ্রাসী বোলিংয়ের জন্য, গোলার মতো ভেসে আসা বুক সমান বাউন্সারের জন্য, কিংবা রিভার্স সুইংয়ে অথবা ইয়র্কারে ব্যাটসম্যানের স্টাম্প উড়িয়ে দেওয়ার দুর্দান্ত ওই দৃশ্যগুলোর জন্য।

পার্থ টেস্ট শুরু হওয়ার আগেই গুঞ্জনটা ছিল—‘জনসন অবসরে যাচ্ছেন।’ গতকাল সেই গুঞ্জন আরও ডালপালা মেলেছিল জনসনের রাজ্যদল কুইন্সল্যান্ড ম্যানেজারকে অস্ট্রেলিয়ার ড্রেসিং রুমে দেখা যাওয়ায়। আজ মঙ্গলবার গুঞ্জনটা বাস্তব রূপ পেল ছোট্ট একটি ঘোষণায়। ‘অবসরের জন্য এটিই সবচেয়ে ভালো সময়’—জানিয়ে জনসন বললেন, ‘আমি অনেক ভাগ্যবান যে এমন দুর্দান্ত একটা ক্যারিয়ার পেয়েছি। দেশের হয়ে খেলার প্রতিটি মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি। পথচলাটা অসাধারণ ছিল। তবে এই পথচলার শেষ তো টানতে হতোই, আর তার জন্য ওয়াকার চেয়ে ভালো জায়গা আর কী হতে পারে।’

ক্যারিয়ারের শেষ দিকে গোঁফ রাখায় চেহারায় একটা ‘ডেনিস লিলি’ ভাব চলে এসেছিল। মজার ব্যাপার, জনসন নামের হীরেটিকে চিনতে পারা প্রথম জহুরিও কিন্তু লিলিই। সেদিকটি মনে করিয়ে দিয়েই জনসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। একজন অস্ট্রেলীয় বোলারের জন্য এর চেয়ে বড় প্রশংসা আর কীইবা হতে পারত, ‘ডেনিস লিলিই বছর কয়েক আগে জনসনকে অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি পুরোপুরিই সঠিক ছিলেন। গোঁফওয়ালা জনসন অনেক দিক দিয়েই সর্বোচ্চ শিখরে থাকা লিলির কথা মনে করিয়ে দেয়। তবে সেটি শুধু চেহারাতেই নয়, লিলির মতো ভয়ংকর ফাস্ট বল করেও।’

জনসনের এমন ভয়ংকর রূপটা সবচেয়ে বেশি দেখেছে ইংল্যান্ড। ২০১৩ সালের অ্যাশেজে তো বলতে গেলে একাই ধসিয়ে দিয়েছিলেন ইংল্যান্ডকে। সেবার ৫ টেস্টে ৩৭ উইকেট নিয়েছিলেন জনসন।

আফসোস, আর একটা টেস্ট খেললেই ইতিহাসের প্রথম ডে-নাইট টেস্টটারও অংশ হয়ে যেতে পারতেন জনসন। তথ্যসূত্র: ক্রিকইনফো।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful