Templates by BIGtheme NET
Home / রাজনীতি / পৌর নির্বাচন: প্রভাবমুক্ত হওয়ার প্রত্যাশায় ২ জোটের শরিক দলগুলো

পৌর নির্বাচন: প্রভাবমুক্ত হওয়ার প্রত্যাশায় ২ জোটের শরিক দলগুলো

জাতীয় রাজনীতিতে জোটগতভাবে অবস্থান থাকলেও পৌর নির্বাচনে এককভাবেই অংশ নিচ্ছে মহাজোটের শরিক দলগুলো। তবে সংসদের বাইরে থাকা ২০ দলীয় জোটের দলগুলো এ নির্বাচনে লড়ছে জোটগতভাবেই।

যদিও দুই জোটের বেশীর ভাগ শরিক দলগুলো কোনো পৌরসভাতেই প্রার্থী দিতে পারেনি। তবে নির্বাচনে অংশ নেয়া জাতীয় পার্টিসহ দুই জোটের শরিক দলগুলোর প্রত্যাশা, নিরপেক্ষ ও পেশি শক্তির প্রভাবমুক্ত একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। মঙ্গলবার সময় টিভির এক প্রতিবেদনে ওঠে আসে এসব তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথমবারের মত দলীয় প্রতীকে হতে যাচ্ছে পৌর নির্বাচন। তাই ইতিমধ্যে প্রতিবেরের চেয়ে এবার আরও বেশি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে নির্বাচনী এলাকাগুলোতে। নির্বাচনে দেশের প্রধান দু’টি দল, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছাড়াও দলীয় প্রতীক নিয়ে অংশ নিচ্ছে দুই জোটের কয়েকটি শরিক দলও। তবে নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাওয়ায় দলীয় প্রতীকে অংশ নিতে পারবে না ২০ দলের শরিক জামায়াত।

এদিকে, ২০ দল বলা হলেও এরমধ্যে ১৬টি দলই কোনো পৌরসভাতেই প্রার্থী দিতে পারেনি। আর মহাজোট থেকে প্রার্থী দিয়েছে মাত্র ৬টি দল। তবে নির্বাচনে অংশ নেয়া দুই জোটের শরিকদেরই চাওয়া, সুষ্ঠু পরিবেশে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন।

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘বিভিন্ন পৌরসভাগুলোতে যে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই এবং বাতিলের হিড়িক সেটা দেখলেই বুঝা যাচ্ছে যে সেখানে তারা নিরপেক্ষ নয়।’

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘দলীয় রাজনীতি এবং তার সাথে দলের ভিত্তিতে জনগণকে সংগঠিত করার যে বিষয়টি রয়েছে সেটা এর দ্বারা সাধিত হবে। আশা করি নির্বাচন কমিশন অন্তত এবার জনগণের কাছে তাদের যে শক্তি ও কর্তৃত্ব আছে সেটা তারা প্রমাণ করতে সক্ষম হবেন।’

দলীয় প্রতীক নিয়ে পৌর নির্বাচনের এ লড়াইয়ে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারালে শুধু বিরোধী পক্ষই নয় বরং এর নেতিবাচক প্রভাব সবার ওপরে পড়বে বলে মনে করে সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও ২০ দলীয় জোটের শরিক এলডিপি।

এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বলেন, ‘এলডিপির পক্ষ থেকে আমরা প্রায় ১২টি জায়গায় নমিনেশন সাবমিট করেছিলাম। একটা সুষ্ঠু নির্বাচন যেন হয়। না হলে দেশেরও ক্ষতি হবে এবং এই সরকার বিপদগ্রস্ত হবে।’

জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু বলেন, ‘জোর করে প্রার্থীকে বসিয়ে দেয়া হচ্ছে। মানুষ যাতে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারে এবং ভোট দিতে পারে। আশা করব আমাদের যতগুলো সিটে দাঁড়িয়েছি তার ৮০ শতাংশ সিট আমরা জয়লাভ করব।’

এছাড়া স্থানীয়ভাবে এ নির্বাচন হলেও সরকার সচেতন থাকলে আইন শৃঙ্খলার কোন অবনতি ঘটবে না বলেও মনে করেন এসব রাজনৈতিক দলের নেতারা।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful