Templates by BIGtheme NET
Home / জীবনযাপন / পৃথিবীর সবচাইতে কুখ্যাত যত আত্মহত্যার স্থান

পৃথিবীর সবচাইতে কুখ্যাত যত আত্মহত্যার স্থান

মরিতে চাহিনা আমি এ সুন্দর ভুবনে! কবিগুরুর সাথে কন্ঠ মিলিয়ে আপনারও হয়তো বলতে ইচ্ছে হবে গলা ছেড়ে ভীষন সত্যি এই কথাটি। বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হবে। কিন্তু আপনার জন্যে সত্যি বলে মনে হলেও অনেকেই আছেন পৃথিবীতে যাদের কাছে জীবনটাকে শেষ করে দেওয়াকেই জীবনের সবচাইতে বড় সত্যি বলে মনে হয়। আর এই মানুষগুলোর জন্যেই এখন অব্দি টিকে আছে কিছু সুইসাইড স্পট বা আত্মহত্যা করবার সবচাইতে পছন্দের স্থানের তালিকা!

প্রতিবছরই এই জায়গাগুলোতে এসে নিজেদের জীবনের শেষ ইচ্ছা- আত্মহত্যা করবার ইচ্ছাকে পূরণ করেন কিছু মানুষ। অসাধারণ সুন্দর এই জায়গাগুলো, যেখানে গেলে পৃথিবীকে দেখবার ইচ্ছেটা আরো বেড়ে যায়, এমনই কিছু স্থানে প্রতিনিয়ত চলে পুলিশ টহল, আত্মহত্যাপ্রবণ মানুষদেরকে বাঁচানোর জন্যে। কিন্তু তাতেও খুব একটা লাভ হয়না। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ স্বেচ্ছামৃত্যু গ্রহণ করেন এখানে এসে। আর এমনই কিছু আত্মহত্যা করার ক্ষেত্রে সংখ্যার দিক দিয়ে এগিয়ে থাকা স্থানের নাম দেওয়া হল আজকের ফিচারে।

 

৬. মিহারা পাহাড়

ভাবুন তো এমন কোন স্থানের কথা, যেখানে কেবল প্রবেশের জন্যে টিকিট কাটাকে রীতিমত অপরাধ বলে মনে করা হয়! ভাবছেন এ আবার কেমন নিয়ম? কিন্তু সত্যিই এমন নিয়ম চালু রয়েছে জাপানের এই মাউন্ট মিহারাতে। সে অনেকব ছর আগের কথা। ১৯৩৩ সালের  ফেব্রুয়ারী ছিল সেটা। এক ২০ বছর বয়সী জাপানি নারী ভালোবাসার মানুষকে না পেয়ে আত্মহত্যা করে মাউন্ট মিহারায়, নিজেকে আগ্নেয়গিরির ভেতরে ছুঁড়ে ফেলে। সেই শুরু। এরপর সেই বছরেই প্রায় ১০০০ জন মানুষ আত্মহত্যা করে ঠিক একই স্থানে এসে। এটা চলতে থাকে ১৯৩৫ সাল পর্যন্ত একইভাবে। তবে এরপরেই নানারকম কড়া নিয়ম বেঁধে দেয় কতৃপক্ষ স্থানটির ব্যাপারে। যার ভেতরে অন্যতম একটি হচ্ছে এখানকার প্রবেশ টিকিট। একই সাথে ঢোকার আর বেরোবার টিকিট না কিনলে প্রবেশের অনুমতি মেলেনা মাউন্ট মিহারায়। এতে করে আত্মহত্যার পরিমাণ খানিকটা কমেছে বটে। কিন্তু কেউ আত্মহত্যা করতে চাইলে সামান্য টিকিটের টাকা কি তাকে আটকাতে পারে?

 

৭. নায়াগ্রা জলপ্রপাত

জলপ্রপাতটির ইতিহাসের ওপরে বিশেষজ্ঞ পল গ্রোমোসিয়াকের দেওয়া সংখ্যানুসারে ১৮৫৬ থেকে ১৯৯৫ সালের ভেতরে পৃথিবীর অপূর্ব সুন্দর একটি স্থান নায়াগ্রা ফলসে এখন অব্দি আত্মহত্যা করেছে মোট ২,৭৮০ জন। তবে সেটা কেবল হিসেব আছে যাদের। গত বিশ বছরে সেটা বিন্দুমাত্র কমেনি, বরং একটু একটু করে বেড়েই চলেছে। অনেক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চেষ্টা করেছেন নিজ নিজ ভাবে এখানে আত্মহত্যা করার কারণ বের করতে। তাদের বেশিরভাগেরই ধারণা, আবেগময় আর ভালোবাসাপূর্ণ সৌন্দর্যময় মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতেই নিজেদের আত্মহত্যার স্থান হিসেবে নায়াগ্রাকে বেছে নেন অনেকে।

 

৮. লন্ডন পাতাল রেল

যাতায়াতের জন্যে লন্ডন পাতাল রেলে সবসময় মানুষের যাতায়াত থাকলেও আরো একটি কারণে এটি এগিয়ে আছে অন্যসব পাতাল রেলের চাইতে। আর সেটা হচ্ছে এখানে হরহামেশা ঘটে যাওয়া আত্মহত্যার ঘটনা। প্রায় দিনই রেলের নীচে লাফিয়ে আত্মহত্যা করা অনেকটাই স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে গিয়েছে এখানে।  ২০০০ সালের পর প্রতিবছর গড়ে ৮৪ জন মানুষ আত্মহত্যা করছে লন্ডনের পাতাল রেলে। তবে প্রায় সব স্থানেই এমনটা চলতে থাকলেও আত্মহত্যার জন্যে পাতাল রেলগুলোর ভেতরে কিং ক্রস সেইন্ট প্যানক্রাসকেই বেশি পছন্দ মানুষের। ২০০১ থেকে ২০১১ সালের ভেতরে মোট ১৪৫ জন মানুষ ঝাঁপ দেয় এখানে আত্মহত্যার জন্যে।

 

৯. নানজিং ইয়াংগটজ রিভার ব্রিজ

প্রকৌশল কর্মের অন্যতম বড় নিদর্শন চীনের এই নানজিং রিভার নির্মিত হয় ১৯৬৯ সালে। তখন চীনের সবার জন্যে অন্যতম গর্ব আর ভালোলাগার ব্যাপার ছিল এটা। কিন্তু কেউ কি তখন জানতো যে কিছুদিনের ভেতরেই কুখ্যাত আত্মহত্যার স্থানের তালিকার একেবারে প্রথমদিকে চলে আসবে এটি। এটিই একমাত্র সেতু যেটাকে আত্মহত্যার দিক দিয়ে পৃথিবীর সবচাইতে ভয়ংকর স্থান বলে অভিহিত করা হয়। ১৯৬৯ সালের পর থেকে একন অব্দি প্রায় ২,০০০ মানুষ আত্মহত্যা করে এখান থেকে লাফিয়ে।

 

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful