Templates by BIGtheme NET
Home / খেলাধুলা / নেইমারের চার গোলে দুর্দান্ত রূপে বার্সেলোনা

নেইমারের চার গোলে দুর্দান্ত রূপে বার্সেলোনা

লিওনেল মেসি ইনজুরির কারণে নেই। মূল্য চুকাতে হয়েছে বার্সেলোনাকে। কিন্তু শনিবার স্প্যানিশ লিগের ম্যাচে নিজেদের মাঠে নেইমার জ্বলে উঠলেন। ক্যাম্প ন্যুর ম্যাচের স্কোরশিটের প্রায় পুরোটা জুড়ে নেইমারের নাম। চার গোল করছেন তিনি। করিয়েছেন একটি। আর তাতে রায়ো ভালকোনোর বিপক্ষে ৫-২ গোলে জিতেছে স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা।

বার্সা তাদের শেষ তিন ম্যাচের দুটিতে হেরেছে। এদিনও প্রতিপক্ষ এগিয়ে গিয়েছিল। হাভি গুয়েরা লিড দিয়েছিলেন রায়োকে। কিন্তু দুটি পেনাল্টি গোল সহ চার গোলে নেইমার পুড়িয়েছেন প্রতিপক্ষকে। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলে রিয়াল মাদ্রিদের সমান পয়েন্ট হলো বার্সার।

প্রথম সুযোগটা বার্সেলোনা পেয়েছিল। সার্জি রবার্তো মাঝ মাঠে খেলেন হাভিয়ের মাচেরানোর জায়গায়। তিনি বল তৈরি করে দিয়েছিলেন ইভান রাকিতিচকে। সাত মিনিটের সময় এই ক্রোয়েশিয়ানের সামনে ছিলেন শুধু গোলরক্ষক। রাকিতিচের চেষ্টা ঠেকিয়েছেন গোলকিপার তোতো।

এরপর লুই সুয়ারেজের চেষ্টাও রুখেছেন গোলকিপার। আক্রমনে ছিল বার্সা। কিন্তু খেলার ধারার বিপরীতে গোল পেয়ে যায় রায়ো। বার্সার ডিফেন্স হটাৎই খুলে যায়। ১৫ মিনিটে গুয়েরো স্তব্ধ করে দেন ক্যাম্প ন্যুর স্বাগতিক দর্শক সমর্থকদের। বেবের ক্রস থেকে বল পেয়ে লক্ষ্যভেদ করেন গুয়েরো।

এরপর রায়োর বিপক্ষে পেনাল্টির আবেদন করেন নেইমার। রেফারি তা দেননি। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে রায়োর খেলোয়াড় ফাউল করেন ব্রাজিলের অধিনায়ককে। স্পট কিক থেকে গোল করে খেলায় সমতা আনেন নেইমার। এরপর সুয়ারেজের গোল অফ সাইডের কারণে বাতিল হয়।

রায়োর সীমানায় সমস্যা তৈরি করতে থাকেন নেইমার। মার্তিনেজ নেইমারকে ঠেকাতে গিয়ে আবার বিপদ ডেকে আনেন। ৩২ মিনিটে আবার পেনাল্টি পায় বার্সা। নেইমারের পেনাল্টি থেকে গোল করতে সমস্যা হয়নি। মার্তিনেজ বিরতির আগে আবার ফাউল করেন নেইমারকে। কিন্তু পেনাল্টি পায়নি বার্সা।

রায়ো দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করে আরো উজ্জ্বলভাবে। প্রথমে গুয়েরোকে সামলেছেন বার্সা গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভো। এরপর জোড়া সেভ করেছেন। লাস বাঙ্গুরা ও প্যাটরিক ইবার্টের চেষ্টা রুখেছেন তিনি।

রায়োর চেষ্টার মাঝেও অপ্রতিরোধ্য ছিলেন নেইমার। ৬৯ মিনিটে নিজের তৃতীয় গোলটি করেন নেইমার। আর এক মিনিট পরই সুয়ারেসের কাছ থেকে বল পেয়ে নেইমার করেন নিজের চতুর্থ গোল।

ক্লান্তিহীনভাবে ছুটে চলা সুয়ারেস তার কষ্টের ফল পেয়েছেন। পঞ্চম গোলটি আসে তার কাছ থেকে। নেইমার দারুণ এক ক্রস পাঠান। খুব কাছ থেকে গোল করেন সুয়ারেস। খেলা শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে জোজাবেদ ব্যবধান ৫-২ করেন। এই গোলে তেমন লাভ হয়নি রায়োর। বার্সার কাছে টানা দশ ম্যাচ হারলো তারা। হজম করতে হলো ৪৫ গোল।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful