Templates by BIGtheme NET
Home / সারাদেশ / জমিতে কচুরিপানার দঙ্গল

জমিতে কচুরিপানার দঙ্গল

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজার থেকে উজানচর বাহাদুরপুর পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকার কৃষিজমিতে কচুরিপানা আটকে আছে। এতে রবি শস্য আবাদের জন্য শতাধিক বিঘা জমি তৈরি ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণে সময়মতো সরিষা, গম, পেঁয়াজ, রসুনের আবাদ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গোয়ালন্দ বাজারের রেলওয়ে সেতু এলাকা থেকে বাহাদুরপুর পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকার কৃষিজমিতে বর্ষায় আসা কচুরিপানা আটকে আছে।
স্থানীয় কৃষক আবদুল কাদের শেখ প্রথম আলোকে জানান, তাঁর প্রায় এক বিঘা জমি থেকে কচুরিপানা পরিষ্কার করতে ১০ জন শ্রমিক নিতে হয়েছে। এতে তাঁর বাড়তি সাড়ে তিন হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
কৃষক খালেক বিশ্বাস, আবুল বিশ্বাসসহ কয়েকজন জানান, এত টাকা খরচ করে কচুরিপানা পরিষ্কার করে প্রতিবিঘা বড়জোর ১০-১২ মণ গম পাওয়া যাবে। এতে তাঁদের লাভ হবে না। এ কারণে অনেক কৃষক তাঁদের জমি পতিত রাখতে বাধ্য হচ্ছেন।
গোলাপ আলী শেখ, আলমাছ প্রামাণিকসহ আরও কয়েকজন কৃষক বলেন, ইবাদালি মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় নবনির্মিত সেতুর নিচে বাঁশের বেড়া থাকায় বর্ষায় কচুরিপানা বেরিয়ে যেতে পারেনি। অতিরিক্ত কচুরিপানার কারণে অনেকে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত কচুরিপানা অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
উজানচর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান গোলজার হোসেন মৃধা বলেন, ‘কচুরিপানা কৃষকদের জন্য বড় ধরনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ মণ্ডল বলেন, এই কচুরিপানা কৃষকদের আশীর্বাদও হতে পারে। তাঁরা যদি এই কচুরিপানা স্তূপ করে কয়েক মুঠো ইউরিয়া সার ছিটিয়ে দেন তাহলে তা পচে সার হবে। কচুরিপানার স্তূপে আগুন দিলেও কাজ হবে। আবাদ কিছুটা ব্যাহত হলেও কৃষকদের ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ ঘোষ বলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে কচুরিপানা পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া যায় কি না এ বিষয়ে তাঁদের বলা হবে।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful