Templates by BIGtheme NET
Home / বিনোদন / ছেলেটি আবোল তাবোল মেয়েটি পাগল পাগল

ছেলেটি আবোল তাবোল মেয়েটি পাগল পাগল

সাইফ চন্দনের ‘ছেলেটি আবোল তাবোল মেয়েটি পাগল পাগল’ মুক্তি পাবে আগামীকাল। আইরিন-আরজু জুটির প্রথম ছবি এটি। তাঁদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন রূপক জামান ট্রেলারে দেখা গেল আরজুকে বেশ ধমকাচ্ছেন আইরিন আর তাঁকে মানানোর চেষ্টা করেছেন আরজু। প্রথম প্রশ্নটা আরজুর কাছে, বাস্তবেও কি তিনি আইরিনকে ভয় পান? ‘নায়িকাকে কে না ভয় পায় বলুন? ছবির ভিলেন, নায়ক সবাই তাঁর ভয়ে তটস্থ থাকে।’ রসিকতা করে বললেন আরজু। পরক্ষণেই আবার বললেন, ‘ও আসলে খুব মিশুক মেয়ে। সবাইকে খুব সহজেই আপন করে নিতে পারে।’

পর্দায় আপনাদের কেমিস্ট্রি দর্শক কতটা উপভোগ করবে? আরজুকে উত্তরের সুযোগই দিলেন না আইরিন, ‘এতটুকু বলতে পারি দর্শক হতাশ হবেন না।’

আরজু বললেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করেছি। পরিচালকও চেষ্টা করেছেন আমাদের সর্বোচ্চটা বের করে নিতে।’

২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুটিং শুরু, শেষ হয় গত বছরের মে মাসে। পরিচালক-নায়ক-নায়িকা তিনজনই আলাদাভাবে পড়েছেন সড়ক দুর্ঘটনার কবলে-এত লম্বা সময় লাগার এটা অন্যতম কারণ। আইরিন বললেন, ‘ছবিতে আমার চরিত্রের নাম টুনি। টুনি যখনই সেটে আসত তখনই একটা না একটা ঘটনা ঘটত। একবার তো বাইক থেকে পড়ে গিয়ে আমার হাত-পায়ে আঘাত পাই।’ আরজু বলে ওঠেন, ‘আমি যে টানা ২০ দিন হাসপাতালে ছিলাম সেটা বলছ না কেন?’

সড়ক দুর্ঘটনা ছাড়াও এমনিতেও এ ছবি মুক্তি পেতে অনেক সময় লেগেছে, এতে মন খারাপ হয়নি? ‘একটু-আধটু মন খারাপ হয়েছে মাঝেমধ্যে। কিন্তু আমরা চেয়েছিলাম ছবিটি ভালো মতো শেষ হোক। দিনশেষে যখন কাজটা ভালোমতো শেষ হলো তখন আর খারাপ লাগাটা মনে রাখিনি।’ বললেন আরজু। আইরিনও একমত।

আইরিন-আরজু জুটি এখনো পরীক্ষিত নয়, দর্শক কি গ্রহণ করবে? আইরিন বললেন, ‘আমাদের যদি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগই না দেওয়া হয়, তাহলে কিভাবে পাস-ফেল করব?’ আরজু সঙ্গে যোগ করলেন, ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এ রকম অনেক নতুন জুটি কিন্তু সফল হয়েছে। আমাদের ছবিটা যদি দর্শক পছন্দ করে, তাহলে তো কেউ এ প্রশ্ন তুলবে না।’

ছবিতে আরজু রোমিও টাইপের ছেলে, প্রেম করে বেড়ানোই তাঁর কাজ। প্রেমিকার বিয়ে হয়ে গেলে খুশি হচ্ছে। ব্যক্তিজীবনেও কি একাধিক প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন? আরজুর উত্তর দেওয়ার আগে আইরিনের উত্তর, ‘আরে ও যে ঘরকুনো ছেলে। ও প্রেম করার সময় পায় নাকি?’

ট্রেলারের প্রসঙ্গ আসতেই আইরিনের দাবি, ‘ট্রেলারে আমাকে বদরাগী মেয়ে দেখানো হলেও বাস্তবে আমি শান্ত। প্রেমের প্রস্তাব দিতে এসে এই শান্ত মেয়েটার হাতেও কম মার খায়নি ছেলেরা।’

অভিনয়ে আরজুর আইডল সালমান শাহ। তাঁর অভিনয়, স্টাইল, লুক সব কিছুই ফলো করেন। আর আইরিনের আইডল শাবনূর। পর্দায় শাবনূরের চঞ্চল উপস্থিতি ভালো লাগে তাঁর। যেকোনো চরিত্রে অভিনয়ের দক্ষতা আছে শাবনূরের, এমন ধারণা আইরিনের।

এখন পর্যন্ত পাঁচটি চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে আরজুর। বড় ধরনের সাফল্য এখনো পাননি। ‘আমি অনেক ছবিতে কাজ করিনি। ২০০৮-২০১১ এই সময়টায় কাজ করার সুযোগ ছিল না। এরপর গতানুগতিক একটা ধারা তৈরি হয়ে গিয়েছিল। শাকিব খানের ছবি ছাড়া কোনো নায়কের ছবি চলে না। গত কয়েক বছরে কিছু তরুণ উদ্যমী পরিচালক ও প্রযোজক এসে চলচ্চিত্রে কিছুটা প্রাণ সঞ্চার করেছেন। তাই আমি সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করেছি।’ কৈফিয়ত দিলেন আরজু।

অন্যদিকে আইরিনের অভিষেক ২০১৩-তে ‘ভালোবাসা জিন্দাবাদ’ দিয়ে। মাত্র দুটি ছবি মুক্তি পেয়েছে তাঁর। আইরিনও বললেন, ‘কখনো চাইনি মানহীন ছবি করতে। এ জন্যই হয়তো আমার ছবির সংখ্যা কম।’

ছবিটির প্রচারণায় দুজনই ছুটছেন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়া থেকে শুরু করে অনলাইন ও রেডিও চ্যানেলে। আগামীকাল সকাল থেকে ঘুরে বেড়াবেন বিভিন্ন হলে হলে। বোঝার চেষ্টা করবেন দর্শক কোন জায়গটা পছন্দ করছে। কোন জায়গাটা করছে না। না করলে কেন করছে না। কারণ দুজনের স্বপ্ন শুধুই চলচ্চিত্র। এ স্বপ্ন সফল করার জন্য সব ধরনের কষ্ট করতে রাজি দুজন।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful