Templates by BIGtheme NET
Home / খেলাধুলা / চিটাগংয়ের রুদ্ধশ্বাস জয়

চিটাগংয়ের রুদ্ধশ্বাস জয়

আগের ম্যাচে ফিফটি করেও জেতেননি। সে আক্ষেপ তো ছিলই, কাল ম্যাচের আগে হওয়া নাটকের উপসংহার টানতেও জয়টা প্রয়োজন ছিল তামিম ইকবালের। কাঙ্ক্ষিত সেই জয় এল শেষ বলের রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনার পর। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে কাল সিলেট সুপারস্টারসকে ১ রানে হারিয়ে তৃতীয় বিপিএলে প্রথম জয় পেল চিটাগং ভাইকিংস।
চিটাগং ভাইকিংসের পেসার মোহাম্মদ আমিরের শেষ ওভারে ৯ রান নিতে হতো সিলেট সুপারস্টারসকে। মাঝে দুটি বল ডট গেলেও বাকি দুই বলে দুটি সিঙ্গেল এবং পঞ্চম বলে দুর্দান্ত এক কাভার ড্রাইভে বাউন্ডারি মেরে উত্তেজনার পারদ প্রায় আকাশে তুলে দিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। শেষ বলে ৩ রান দরকার। কিন্তু এবার আর পারলেন না সিলেট অধিনায়ক। অজন্তা মেন্ডিসের সঙ্গে প্রান্ত বদলে ১ রানই নিতে পারলেন। এর আগে ওপেনার দিলশান মুনাবীরার ৩০ বলে ৬৪ রানের সুবাদে চিটাগংয়ের দেওয়া ১৮১ রানের লক্ষ্যটা ভালোই তাড়া করতে শুরু করেছিল সিলেট। নুরুল হাসানের সঙ্গে ৬ ওভার ২ বলে গড়া ৫৪ রানের জুটিতে সম্ভাবনাটা আরও উজ্জ্বল করে তুলেছিলেন মুশফিক। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। ৩৪ বলে অপরাজিত ৫০ করেও অতৃপ্তি নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো সিলেট সুপারস্টারস অধিনায়ককে।
ম্যাচের আগে সিলেটের বিদেশি খেলোয়াড়দের অনাপত্তিপত্র নিয়ে এক ঘণ্টারও বেশি নাটক হয়েছে। তামিমের দাবি, পরিবার নিয়ে বাজে মন্তব্য করে তাঁকে নাকি অপমানিত করেছেন সিলেট সুপারস্টারসের মালিক আজিজুল ইসলাম। ব্যাটিংয়ে যাওয়ার সময় তাই স্বাভাবিকভাবেই একটু উত্তেজিত থাকার কথা তাঁর। সিলেটের বোলাররা সেটারই ঝাঁজ পেলেন সম্ভবত। ৪৫ বলে ৬৯ করেছেন তামিম, ছয় বাউন্ডারির সঙ্গে চার ছক্কা। বিপিএলে এখন পর্যন্ত এটিই তাঁর সর্বোচ্চ ইনিংস। ১৪ রানে সঙ্গী ওপেনার তিলকরত্নে দিলশানকে হারালেও দ্বিতীয় উইকেটে ইয়াসির আলী চৌধুরীর (৫২ বলে ৬৩) সঙ্গে ৭৯ রানের জুটি, মেন্ডিসের বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে শহীদের ক্যাচ হওয়ার আগ পর্যন্ত ব্যাট হাতে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন দলকে। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে মুনাবীরার দেওয়া ২০ রানের ১৭-ই নিয়েছেন তামিম। চারটি বাউন্ডারি মেরেছেন ওই ওভারেই।
৪ ওভারে ৫৪ রান দেওয়া মুনাবীরার ওপর দিয়ে শেষ ঝড়টা বইয়েছেন জিয়াউর রহমান ও ইয়াসির। ইয়াসিরের দুটি ও জিয়ার একটি ছক্কাসহ তাঁর করা ১৯তম ওভারে এসেছে ২৩। ব্যাট হাতে হয়তো সেটাই পুষিয়ে দিতে চেয়েছিলেন এই শ্রীলঙ্কান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
চিটাগং ভাইকিংস: ২০ ওভারে ১৮০/৫ (তামিম ৬৯, দিলশান ০, ইয়াসির ৬৩, এনামুল ৩, মেন্ডিস ২০, জিয়া ১৫*; শহীদ ১/২৭, শুভাশিস ১/২২, মুনাবিরা ০/৫৪, মেন্ডিস ১/২৭, নাজমুল অপু ১/৪০, নাসুম ০/৬)। সিলেট সুপার স্টারস: ২০ ওভারে ১৭৯/৬ (মুনাবিরা ৬৪, জুনায়েদ ৫, মুমিনুল ২, মুশফিক ৫০*, নুরুল ৩২, নাজমুল মিলন ৯, শহীদ ৩, মেন্ডিস ১*; আমির ০/১৯, দিলশান ০/২৪, তাসকিন ০/৪৬, আসিফ ০/১১, আজমল ২/৩৫, শফিউল ৩/২৫, মেন্ডিস ০/১৬)।
ফল: চট্টগ্রাম ১ রানে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: শফিউল ইসলাম (চট্টগ্রাম)।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful