Templates by BIGtheme NET
Home / সারাদেশ / চাপে নত হলেন না শাহাদাত বিদ্রোহীই রইলেন

চাপে নত হলেন না শাহাদাত বিদ্রোহীই রইলেন

বরগুনা সদরে শেষ পর্যন্ত বর্তমান মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুই দিন ধরে শহরের সর্বত্র আলোচনা ছিল, দলীয় নেতাদের চাপে শেষ পর্যন্ত তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিতে পারেন।
জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি দল গত শুক্র ও শনিবার শাহাদাত হোসেনকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য কয়েক দফা আলোচনা করে। কিন্তু তা নিষ্ফল হয়।
তবে অপর ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. হুমায়ুন কবির গতকাল রোববার বিকেলে তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। হুমায়ুন কবির প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর এখন বরগুনা পৌরসভায় পাঁচজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন বর্তমান মেয়র শাহাদাত হোসেন, সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. শাহজাহান (তিনি দল থেকে মনোনয়ন চাননি), আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কামরুল আহসান, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এম নজরুল ইসলাম ও জাতীয় পার্টির আবদুল জলিল হাওলাদার।
দলীয় সূত্র জানায়, দলের একক প্রার্থী রাখতে জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা এক সপ্তাহ ধরে কয়েক দফা বৈঠক করে ব্যর্থ হন। শাহাদাত হোসেন ও হুমায়ুন কবিরকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারে রাজি করাতে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সর্বশেষ শুক্রবার এক সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুন্সি গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্বাস হোসেন মোল্লাসহ পাঁচ নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। শনিবার সকালে শহরের বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্সে শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে প্রথম দফায় বৈঠক করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এ সময় বৈঠকের খবর পেয়ে শাহাদাত হোসেনের সমর্থকেরা সেখানে বিক্ষোভ করলে বৈঠকটি অমীমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়। হুমায়ুন কবিরের সঙ্গেও তাঁরা অনুরূপ বৈঠক করেন। এরপর প্রতিনিধিদলটির শনিবার রাতে পুনরায় শাহাদাত হোসেনের বাড়িতে বৈঠক করার কথা থাকলেও তা হয়নি।
এর আগে গত বুধবার শাহাদাত বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য তাঁকে নানাভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে; এতে তিনি জীবন-সংশয়ে ভুগছেন। একই সঙ্গে দল মনোনীত প্রার্থী ভোট কারচুপি করার নীল নকশা করছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তবে শাহাদাতের এসব অভিযোগকে অবাস্তব বলে উড়িয়ে দেন দল মনোনীত মেয়র প্রার্থী কামরুল আহসান। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে কারচুপির প্রশ্নই আসে না।’
জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্বাস হোসেন মোল্লা গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমাদের দায়িত্ব দেওয়ার পর প্রার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়েছি। সর্বশেষ শনিবার রাতেও দুজন প্রার্থীর বাড়ি গিয়েছি, কিন্তু কাউকে পাইনি। দলীয় সভানেত্রী যেহেতু একজনকে প্রতীক দিয়েছেন, আমরা সর্বাত্মকভাবে তাঁকে জয়ী করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাব।’
শাহাদাত হোসেন গতকাল বলেন, ‘দল আমাকে মনোনয়ন না দেওয়ায় সাধারণ ভোটাররা মর্মাহত।’ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের চাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দুই দিকেই চাপ ছিল। একদিকে দলের পক্ষ প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও অন্যদিকে প্রত্যাহার না করার জন্য প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষের বিক্ষোভ। আমি মনে করি, শেষ পর্যন্ত জনতার বিজয় হয়েছে।’

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful