Templates by BIGtheme NET
Home / শিল্প বাণিজ্য / চট্টগ্রামে জ্বালানি সংকটে শিল্প কারখানা ক্ষতিগ্রস্থ

চট্টগ্রামে জ্বালানি সংকটে শিল্প কারখানা ক্ষতিগ্রস্থ

পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম থেকে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সরে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশের জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। আর এ সমস্যা সমাধানে কুতুবদিয়া গ্যাসফিল্ড, ফেনীর নাইকো আর মিয়ানমার থেকে গ্যাস আনার আহ্বান জানান তাঁরা। তাঁরা বলেন, সারা দেশে জ্বালানির যে পরিমাণ ঘাটতি হয়, এর অর্ধেকটাই চট্টগ্রামে। তবে দুই বছরের মধ্যে সারা দেশের গ্যাস সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, সরকার পরিকল্পিত কারখানাগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ করবে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘চট্টগ্রামের শিল্পায়ন : জ্বালানির প্রাপ্যতা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা উঠে আসে। রাজধানীতে কর্মরত বৃহত্তর চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের সংগঠন ‘চিটাগাং জার্নালিস্টস ফোরাম ঢাকা’ (সিজেএফডি) এ বৈঠকের আয়োজন করে।

বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নসরুল হামিদ বলেন, আবাসিক এলাকায় গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে এলপিজির ব্যবহার বাড়িয়ে এবং সিএনজিতে গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে সেই গ্যাস শিল্প-কারখানায় সরবরাহ করা হবে। এতে শিল্পে গ্যাসের সংকট অনেকটাই কমে যাবে। এ ছাড়া আমরা এলএনজিও নিয়ে আসছি।

প্রতি মাসে প্রায় সাড়ে তিন লাখ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পুরনো হওয়ায় আমাদের অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দক্ষতা কমছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের অডিট চলছে। এটা শেষ হলে পুরনো বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। শিল্পে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কিভাবে করা যায় তা নিয়েও জরিপ করা হবে। ভবিষ্যতে সাশ্রয়ী শিল্প চাই। দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দিকে যাওয়া এবং সঠিক জ্বালানি সরবরাহ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আগামীতে পাইপলাইন ও বোতলের গ্যাসের দামের সমন্বয় করা হবে।

বুয়েটের অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম বলেন, শিল্প-কারখানায় বয়লারের দক্ষতা ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ। এটাকে আরো বাড়াতে হবে। ন্যূনতম দক্ষতা অন্তত ৭৫ শতাংশ হওয়া দরকার। বিদ্যুৎ-জ্বালানি নিয়ে সরকারের পরিষ্কার পরিকল্পনা জনগণ ও ব্যবসায়ীদের কাছে তুলে ধরতে হবে।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুব আলম বলেন, চট্টগ্রামকে নিয়ে এখনই ভাবতে হবে। ব্যবসার উন্নয়নে চট্টগ্রামের সক্ষমতা বাড়ানো ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। বন্দরসুবিধা আর ভারী শিল্পের জন্য অনুকূল হওয়ায় চট্টগ্রামে গ্যাসের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র বন্ধ এবং সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র থেকে কাঙ্ক্ষিত গ্যাস না পাওয়ায় চট্টগ্রামকেন্দ্রিক গ্যাস উৎপাদন অনেকটা কমে গেছে। অন্যান্য গ্যাসক্ষেত্র থেকে পর্যাপ্ত গ্যাসের চাপও পাওয়া যায় না। ফলে চট্টগ্রামে গ্যাসের সরবরাহ কমেছে। আলোচনায় অংশ নেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. সেলিম মাহমুদ প্রমুখ।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful