Templates by BIGtheme NET
Home / সারাদেশ / গোবিন্দগঞ্জ পৌর নির্বাচন উপলক্ষে সম্ভাব্য প্রার্থীদের গণসংযোগ

গোবিন্দগঞ্জ পৌর নির্বাচন উপলক্ষে সম্ভাব্য প্রার্থীদের গণসংযোগ

পৌর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই গোবিন্দগঞ্জে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। গত ঈদ ও শারদীয় দুর্গোৎসবের সময় থেকেই শুভেচ্ছা জানিয়ে বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার লাগিয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীতার ঘোষণা দিয়ে পাড়া মহল্লায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তারা।

নির্বাচন কমিশনের পৌর নির্বাচন সংক্রান্ত ঘোষণার পর এখন তারা প্রকাশ্যে জোর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। প্রার্থীরা তাদের সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে পাড়া-মহল্লায় ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কুশল বিনিময়  করে দোয়া ও আর্শিবাদ চাইছেন। মেয়র প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি এবার গুরুত্ব পাওয়ায় সম্ভাব্য দলীয় প্রার্থীরা এখন হাইকমান্ডের সমর্থন পেতে জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।

অপরদিকে কাউন্সিলর নির্বাচনে দলের মনোনয়নের প্রয়োজন না হওয়ায় তাদের জনসংযোগও ব্যাপকভাবে চলছে। হোটেল, রেষ্টুরেন্ট, চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন স্থানে চলছে এখন নির্বাচনী আলোচনা। ভোটারদের মধ্যেও পৌর নির্বাচন নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ফারুক আহমেদ মামলাজনিত কারণে পলাতক থাকায় তার স্ত্রী, আত্মীয় স্বজন এবং দলীয় নেতাকর্মীরা পাড়া মহল্লায় বাড়ি বাড়ি ভোটারদের কাছে গিয়ে কুশল বিনিময় করে তার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন।

অপরদিকে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বর্তমান মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি আতাউর রহমান সরকারও প্রচারণায় এখন মাঠে। দু’বারের পৌর নির্বাচনে বিজয়ী আতাউর রহমান সরকার অতীতের নির্বাচনী অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চান। এবারও তিনি আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাওয়া এবং জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। অবশ্য আওয়ামী লীগের একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীর কথাও প্রচারণায় রয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মোকাদ্দেস আলী বাদু, সদস্য মুকিতুর রহমান রাফি, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক কেএম জাহাঙ্গীর আলম ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসানুল শেখ সুমনের নাম বেশি করে উচ্চারিত হচ্ছে। তারাও এখন জনসংযোগে ব্যস্ত। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মুকিতুর রহমান রাফি সাবেক পৌর মেয়র ও বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদের শ্যালক। ওই সুবাদে তিনি মেয়র পদে মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে অধিক আশাবাদি।

এদিকে জাতীয় পার্টির একক প্রার্থী হিসেবে দলের উপজেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আখতার হোসেন জুয়েলের নাম শোনা যাচ্ছে।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় ভোটারদের ধারনা গোবিন্দগঞ্জ পৌর নির্বাচনে যারা দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন পাবেন মূল লড়াইটা তাদের মধ্যেই হবে। বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলেও তারা সুবিধা করতে পারবেন না।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভা ঘোষিত হওয়ার পর ১৯৯৯ সালে গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার প্রথম নির্বাচনে আতাউর রহমান সরকার প্রথমবার পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১১ সালে ৩য় দফায় পৌরসভা নির্বাচনে আতাউর রহমান সরকার ৭ হাজার ৪২৭ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বারের মত মেয়র নির্বাচিত হন। সে সময় তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ছিলেন পৌর বিএনপি সভাপতি ফারুক আহমেদ। যিনি এবারও দলের একমাত্র সম্ভাব্য প্রার্থী। তিনি তখন ভোট পেয়েছিলেন ৬ হাজার ৮২৯ ভোট।

অভিজ্ঞমহলের মতে আতাউর রহমান সরকার ও ফারুক আহমেদ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন পেলে তাদের মধ্যে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। জনসমর্থনের দিক দিয়ে কেউ তেমন পিছিয়ে নেই। তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দল পৌর মেয়রের পদটি পুনরায় তাদের দলের মধ্যে যাতে থাকে সে ব্যাপারে তাদের তৎপরতা এবং জনসমর্থন আদায়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে থাকবে বলে তারা জানিয়েছেন।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful