Templates by BIGtheme NET
Home / খেলাধুলা / কোহলির কাছে ধোনির হার

কোহলির কাছে ধোনির হার

১৮৬ রানের লক্ষ্য। নিঃসন্দেহে এ রান অনেক বড়। এই রান তাড়া করতে নেমে মহেন্দ্র সিং ধোনির দলও বেশ চ্যালেঞ্জ গড়ে তুলেছিল। বিশেষ করে প্রথমে আজিঙ্কা রাহানে, এরপর শেষ দিকে এসে শ্রীলংকার থিসারা পেরেরা যে ঝড় তুলেছিলেন, তাতে ম্যাচটা একটা নাটকীয় সমাপ্তির দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিল।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিরাট কোহলিরই জয় হলো। মহেন্দ্র সিং ধোনির দল রাইজিং পুনে সুপার জায়ান্টস কোহলির রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালারুর কাছে হেরে গেলো মাত্র ১৩ রানের ব্যবধানে।

১৮৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পুনে সুপার জায়ান্টস ১৭২ রান পর্যন্ত করে ফেলেছিল। অবশ্য উইকেট হারিয়েছে ৮টি। শুরুতে ফ্যাফ ডু প্লেসিস, কেভিন পিটারসেন এবং স্টিভেন স্মিথের মত নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যানরা খুব দ্রুত আউট হয়ে যান। ১৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছিল পুনে, তখন আজিঙ্কা রাহানের সঙ্গে জুটি বাধেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।

এই জুটির ব্যাট থেকে আসলো ৯১ রান। ৩৮ বলে ৪১ রান করে ধোনি আউট হয়ে যাওয়ার পর পুনের আশা আপাতত শেষ মনে হচ্ছিল; কিন্তু থিসারা পেরেরা মাঠে নামতেই যেন ঝড় শুরু হলো পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে।

মাত্র ১৩ বলে ৩৪ রান করে তিনি বুঝিয়ে দিলেন টি-টোয়েন্টিতে তার মাহাত্ম্য। পেরেরা যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন ততক্ষণ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল পুনে।

কিন্তু শেন ওযাটসনের বলে যখন আউট হয়ে যান পেরেরা, তখনই ছন্দপতন ঘটে। শেষ দুই ওভারে আউট হন ৫ ব্যাটসম্যান। ১১ বলে ২১ রান করেন রজত ভাটিয়া।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বিরাট কোহলির ৮০ এবং এবি ডি ভিলিয়ার্সের ৮৩ রানের ওপর ভর করে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৫ রান সংগ্রহ করে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। এ নিয়ে ৪ ম্যাচের দুটিতে জিতলো ব্যাঙ্গালুরু।

১৮৬ রানের লক্ষ্য। নিঃসন্দেহে এ রান অনেক বড়। এই রান তাড়া করতে নেমে মহেন্দ্র সিং ধোনির দলও বেশ চ্যালেঞ্জ গড়ে তুলেছিল। বিশেষ করে প্রথমে আজিঙ্কা রাহানে, এরপর শেষ দিকে এসে শ্রীলংকার থিসারা পেরেরা যে ঝড় তুলেছিলেন, তাতে ম্যাচটা একটা নাটকীয় সমাপ্তির দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিল।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিরাট কোহলিরই জয় হলো। মহেন্দ্র সিং ধোনির দল রাইজিং পুনে সুপার জায়ান্টস কোহলির রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালারুর কাছে হেরে গেলো মাত্র ১৩ রানের ব্যবধানে।

১৮৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পুনে সুপার জায়ান্টস ১৭২ রান পর্যন্ত করে ফেলেছিল। অবশ্য উইকেট হারিয়েছে ৮টি। শুরুতে ফ্যাফ ডু প্লেসিস, কেভিন পিটারসেন এবং স্টিভেন স্মিথের মত নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যানরা খুব দ্রুত আউট হয়ে যান। ১৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছিল পুনে, তখন আজিঙ্কা রাহানের সঙ্গে জুটি বাধেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।  এই জুটির ব্যাট থেকে আসলো ৯১ রান। ৩৮ বলে ৪১ রান করে ধোনি আউট হয়ে যাওয়ার পর পুনের আশা আপাতত শেষ মনে হচ্ছিল; কিন্তু থিসারা পেরেরা মাঠে নামতেই যেন ঝড় শুরু হলো পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে।

মাত্র ১৩ বলে ৩৪ রান করে তিনি বুঝিয়ে দিলেন টি-টোয়েন্টিতে তার মাহাত্ম্য। পেরেরা যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন ততক্ষণ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল পুনে।

কিন্তু শেন ওযাটসনের বলে যখন আউট হয়ে যান পেরেরা, তখনই ছন্দপতন ঘটে। শেষ দুই ওভারে আউট হন ৫ ব্যাটসম্যান। ১১ বলে ২১ রান করেন রজত ভাটিয়া।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বিরাট কোহলির ৮০ এবং এবি ডি ভিলিয়ার্সের ৮৩ রানের ওপর ভর করে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৫ রান সংগ্রহ করে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। এ নিয়ে ৪ ম্যাচের দুটিতে জিতলো ব্যাঙ্গালুরু।

About Tareq Hossain

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful