Templates by BIGtheme NET
Home / খেলাধুলা / একই সঙ্গে মারুফুল-মামুনুলের ‘না’

একই সঙ্গে মারুফুল-মামুনুলের ‘না’

আশার বুদ্বুদ মিলিয়ে গেল দ্রুতই। মারুফুল হক তাঁর ‘কমরেডদের’ নিয়ে সাফ অভিযানের প্রথম দুই ম্যাচ হেরেই ব্যাগ গোছাচ্ছেন দেশে ফেরার। আজ শেষ গ্রুপ ম্যাচে ভুটানের সঙ্গে জিতলে তিনটি পয়েন্ট থলেয় উঠবে এই যা। হারলে ব্যর্থতার ষোলোকলা পূর্ণ।
ভুল, ষোলোকলা পূর্ণ হতে কিছু বাকি আছে নাকি! সাফ জেতার অভিলাষ যে এরই মধ্যে ত্রিবান্দ্রামের কোভালাম সমুদ্রসৈকতে হাবুডুবু খাচ্ছে। গভীর বেদনার সুর তাই আছড়ে পড়ছে বাংলাদেশ দলের অন্দরমহলে।
কী চাওয়া ছিল আর কী হলো! পাহাড়ের চূড়া দেখতে গিয়ে সমুদ্রে হাবুডুবু! প্রখর সেই বাস্তবতার কাটাছেঁড়াই চলল কাল দিনভর। কোচ, খেলোয়াড়, কর্মকর্তা সবারই আত্মোপলব্ধি, ‘আমরা আসলে কোথায় আছি!’ চোখ ভরে নিয়ে আসা স্বপ্নগুলো ধূসর।
এমন গ্লানির পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে হাঁসফাঁস মারুফুল হক ও মামুনুল ইসলাম একটা সিদ্ধান্ত নিলেন। বাফুফে চাইলেও সাফের পর বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিতে প্রথমজনের অনীহা। মারুফুল নিজেই বলেন, ‘সাফ টুর্নামেন্টই ছিল আমার দায়িত্ব। ফেডারেশন চাইলেও আর কাজ করার ইচ্ছে নেই আমার। সেই সম্ভাবনাও দেখছি না।’
জাতীয় দল নিয়ে কোচের মোহভঙ্গ, মামুনুল ইসলামও তো অধিনায়কত্বের বোঝায় হাঁপিয়ে উঠেছেন! নইলে ঘোষণার সুরে কেন বলবেন, ‘ম্যানেজমেন্টকে বলে দিয়েছি ভুটান ম্যাচের পর আমি আর অধিনায়ক থাকব না।’ সিদ্ধান্তটা ক্ষোভ-হতাশা থেকেই নেওয়া। কখনো তিনি সমালোচকদের একহাত নেন, কখনো আত্মসমালোচনা। এই মামুনুল ক্লান্ত এক যোদ্ধা। টিম হোটেলে বসে কথা বলা ‘অনুজ্জ্বল প্লে-মেকারের’ মুখে বেদনার ছবিও, ‘আমাদের যদি গন্ডারের চামড়া না হয়ে থাকে, তাহলে কামব্যাক করা উচিত।’
মামুনুল দুঃখ করেন এই বলে, ‘প্রতিটি বিষয় খেলোয়াড়দের চার-পাঁচবার বুঝিয়েও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মাঠে সবাই ব্যর্থ। সবাই নিজের কাজটা করতে পারলে ফল এত খারাপ হয় না।’ এরপর সরল স্বীকারোক্তি, ‘আমরা আসলে পারিনি, আমরা ব্যর্থ। আমি খুব লজ্জিত।’
সাফে ‘মা-মা’ জুটির মিলিত অভিযানে দাঁড়ি টেনে দিয়েছে আফগানিস্তান আর মালদ্বীপের কাছে প্রথম দুই ম্যাচে ৭ গোল হজম! বাংলাদেশ দলের চিন্তাভাবনা কি সঠিক ছিল? নাকি ভেজাল? বলা নিষ্প্রয়োজন। নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে ধারণাই তো ছিল না বাংলাদেশের। এটা ঠিক, দলে প্রতিভার আকাল চলছে। তাই বলে বাঁচা-মরার সময়ে মালদ্বীপের ফরোয়ার্ডরা বিনা বাধায় গোল করে যাবেন!
জয়ের নেশায় মালদ্বীপ ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে ডিফেন্ডাররা ওপরে উঠে গেলেন, গ্রিন ফিল্ড মাঠের পাশের জঙ্গলে এরপর যেন তাঁরা নিখোঁজ! মারুফুলের কথিত মাঝমাঠনির্ভর ফুটবলই বা কই! আক্রমণে যোগদান নেই খেলোয়াড়দের। গোলরক্ষণেও সমস্যা। দলে যেন শনির দশা।
বিপ্লব ভট্টাচার্য যথার্থই বলেছেন, ‘কথায় নয় মাঠে খেলতে হবে।’ কিন্তু কী খেলল দল? এই ভোঁতা ফুটবলের চূড়ান্ত পরিণতিতে সাফের মঞ্চে বেআব্রু হয়ে পড়া নয় কি? টানা তিনটি সাফের গ্রুপ থেকে বিদায়ে দেশের চাপা গোঙানির শব্দ শুনতে পান খেলোয়াড়েরা? প্রতিদ্বন্দ্বীরা অঙ্ক কষে এলেও তাঁরা কথার খই ফুটিয়ে এসে বুঝলেন দুনিয়াটা কত কঠিন।
আগুনে পোড়া, জলে ডুবে মরা মানুষের মতোই কাল দেখা গেল বাংলাদেশ দলের কয়েকজনকে। ফুটবলীয় দক্ষতায় এমন অধঃপতনে হতাশ মারুফুল বললেন, ‘বঙ্গবন্ধু কাপের পর রক্ষণাত্মক খেলতে খেলতে খেলোয়াড়দের মানসিকতাই রক্ষণাত্মক হয়ে পড়েছে। জয় আপনি কীভাবে পাবেন?’ বিশুদ্ধ ফুটবলীয় বিশ্লেষণেও গেলেন, ‘মাঝমাঠ ঠিকমতো কাজ না করায় গোছানো আক্রমণ সেভাবে হয়নি।’ কিন্তু কেন হয়নি? কোচ তো দেশে বসে বলেছিলেন সবই হবে। এবার মারুফুলের বক্তব্য, ‘খেলোয়াড়দের নিজের উপলব্ধি থাকতে হবে। সেটা ছিল না বলে এই বিপর্যয়।’
জাতীয় দলকে বাইরে আর ভেতরে দেখায় অনেক পার্থক্য মারুফুলের চোখে, ‘আগে ভাবতাম দলে অমুক সমস্যা নিয়ে কাজ হয়নি। এখন আমি নিজে সব বারবার বুঝিয়েও দেখলাম খেলোয়াড়েরা নিতে পারছে না।’ এমন ব্যর্থতার পর অনুমিত পথেই হাঁটলেন কোচ, ‘আমি ব্যর্থ হয়েছি। দায়টা আমারই। আমি পারলাম না খেলোয়াড়দের উদ্বুদ্ধ করতে।’
হোটেল লবিতে একপাশে তখন কাতর কণ্ঠে ডিফেন্ডার ওয়ালী ফয়সাল বলে যান, ‘দুর্ভাগ্য বলটা ওভাবে হাতে লেগে গেল। পেনাল্টি। কী করব বলুন!’ কিন্তু দলের কিছু খেলোয়াড়ের মধ্যে এই তাপ-অনুতাপ নেই। দলবদলের গন্ধ আর কাঁড়ি কাঁড়ি টাকার ঝনঝনানির গন্ধ পাচ্ছেন তাঁরা। অনেকে ক্লাব থেকে টাকা নিয়ে এসেছেন। তাঁরা পা বাঁচিয়ে খেললেন কি না সেই প্রশ্নও গেল কোচ-অধিনায়কের দিকে। দুজনই তা নাকচ করেছেন জোরালোভাবে।
কিন্তু এমন প্রশ্ন ওঠাটাই তো দুর্ভাগ্যজনক।

একইসঙ্গেমারুফুলমামুনুলেরনা

মাসুদ আলম, ত্রিবান্দ্রাম থেকে

আশার বুদ্বুদ মিলিয়ে গেল দ্রুতইমারুফুল হক তাঁরকমরেডদেরনিয়ে সাফ অভিযানের প্রথম দুই ম্যাচ হেরেই ব্যাগ গোছাচ্ছেন দেশে ফেরারআজ শেষ গ্রুপ ম্যাচে ভুটানের সঙ্গে জিতলে তিনটি পয়েন্ট থলেয় উঠবে এই যাহারলে ব্যর্থতার ষোলোকলা পূর্ণ

ভুল, ষোলোকলা পূর্ণ হতে কিছু বাকি আছে নাকি! সাফ জেতার অভিলাষ যে এরই মধ্যে ত্রিবান্দ্রামের কোভালাম সমুদ্রসৈকতে হাবুডুবু খাচ্ছেগভীর বেদনার সুর তাই আছড়ে পড়ছে বাংলাদেশ দলের অন্দরমহলে

কী চাওয়া ছিল আর কী হলো! পাহাড়ের চূড়া দেখতে গিয়ে সমুদ্রে হাবুডুবু! প্রখর সেই বাস্তবতার কাটাছেঁড়াই চলল কাল দিনভরকোচ, খেলোয়াড়, কর্মকর্তা সবারই আত্মোপলব্ধি, ‘আমরা আসলে কোথায় আছি!’ চোখ ভরে নিয়ে আসা স্বপ্নগুলো ধূসর

এমন গ্লানির পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে হাঁসফাঁস মারুফুল হক ও মামুনুল ইসলাম একটা সিদ্ধান্ত নিলেনবাফুফে চাইলেও সাফের পর বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিতে প্রথমজনের অনীহামারুফুল নিজেই বলেন, ‘সাফ টুর্নামেন্টই ছিল আমার দায়িত্বফেডারেশন চাইলেও আর কাজ করার ইচ্ছে নেই আমারসেই সম্ভাবনাও দেখছি না

জাতীয় দল নিয়ে কোচের মোহভঙ্গ, মামুনুল ইসলামও তো অধিনায়কত্বের বোঝায় হাঁপিয়ে উঠেছেন! নইলে ঘোষণার সুরে কেন বলবেন, ‘ম্যানেজমেন্টকে বলে দিয়েছি ভুটান ম্যাচের পর আমি আর অধিনায়ক থাকব নাসিদ্ধান্তটা ক্ষোভহতাশা থেকেই নেওয়াকখনো তিনি সমালোচকদের একহাত নেন, কখনো আত্মসমালোচনাএই মামুনুল ক্লান্ত এক যোদ্ধাটিম হোটেলে বসে কথা বলাঅনুজ্জ্বল প্লেমেকারেরমুখে বেদনার ছবিও, ‘আমাদের যদি গন্ডারের চামড়া না হয়ে থাকে, তাহলে কামব্যাক করা উচিত

মামুনুল দুঃখ করেন এই বলে, ‘প্রতিটি বিষয় খেলোয়াড়দের চারপাঁচবার বুঝিয়েও দেওয়া হয়েছেকিন্তু মাঠে সবাই ব্যর্থসবাই নিজের কাজটা করতে পারলে ফল এত খারাপ হয় নাএরপর সরল স্বীকারোক্তি, ‘আমরা আসলে পারিনি, আমরা ব্যর্থআমি খুব লজ্জিত

সাফেমামাজুটির মিলিত অভিযানে দাঁড়ি টেনে দিয়েছে আফগানিস্তান আর মালদ্বীপের কাছে প্রথম দুই ম্যাচে ৭ গোল হজম! বাংলাদেশ দলের চিন্তাভাবনা কি সঠিক ছিল? নাকি ভেজাল? বলা নিষ্প্রয়োজননিজেদের অবস্থান সম্পর্কে ধারণাই তো ছিল না বাংলাদেশেরএটা ঠিক, দলে প্রতিভার আকাল চলছেতাই বলে বাঁচামরার সময়ে মালদ্বীপের ফরোয়ার্ডরা বিনা বাধায় গোল করে যাবেন!

জয়ের নেশায় মালদ্বীপ ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে ডিফেন্ডাররা ওপরে উঠে গেলেন, গ্রিন ফিল্ড মাঠের পাশের জঙ্গলে এরপর যেন তাঁরা নিখোঁজ! মারুফুলের কথিত মাঝমাঠনির্ভর ফুটবলই বা কই! আক্রমণে যোগদান নেই খেলোয়াড়দেরগোলরক্ষণেও সমস্যাদলে যেন শনির দশা

বিপ্লব ভট্টাচার্য যথার্থই বলেছেন, ‘কথায় নয় মাঠে খেলতে হবেকিন্তু কী খেলল দল? এই ভোঁতা ফুটবলের চূড়ান্ত পরিণতিতে সাফের মঞ্চে বেআব্রু হয়ে পড়া নয় কি? টানা তিনটি সাফের গ্রুপ থেকে বিদায়ে দেশের চাপা গোঙানির শব্দ শুনতে পান খেলোয়াড়েরা? প্রতিদ্বন্দ্বীরা অঙ্ক কষে এলেও তাঁরা কথার খই ফুটিয়ে এসে বুঝলেন দুনিয়াটা কত কঠিন

আগুনে পোড়া, জলে ডুবে মরা মানুষের মতোই কাল দেখা গেল বাংলাদেশ দলের কয়েকজনকেফুটবলীয় দক্ষতায় এমন অধঃপতনে হতাশ মারুফুল বললেন, ‘বঙ্গবন্ধু কাপের পর রক্ষণাত্মক খেলতে খেলতে খেলোয়াড়দের মানসিকতাই রক্ষণাত্মক হয়ে পড়েছেজয় আপনি কীভাবে পাবেন?’ বিশুদ্ধ ফুটবলীয় বিশ্লেষণেও গেলেন, ‘মাঝমাঠ ঠিকমতো কাজ না করায় গোছানো আক্রমণ সেভাবে হয়নিকিন্তু কেন হয়নি? কোচ তো দেশে বসে বলেছিলেন সবই হবেএবার মারুফুলের বক্তব্য, ‘খেলোয়াড়দের নিজের উপলব্ধি থাকতে হবেসেটা ছিল না বলে এই বিপর্যয়

জাতীয় দলকে বাইরে আর ভেতরে দেখায় অনেক পার্থক্য মারুফুলের চোখে, ‘আগে ভাবতাম দলে অমুক সমস্যা নিয়ে কাজ হয়নিএখন আমি নিজে সব বারবার বুঝিয়েও দেখলাম খেলোয়াড়েরা নিতে পারছে নাএমন ব্যর্থতার পর অনুমিত পথেই হাঁটলেন কোচ, ‘আমি ব্যর্থ হয়েছিদায়টা আমারইআমি পারলাম না খেলোয়াড়দের উদ্বুদ্ধ করতে

হোটেল লবিতে একপাশে তখন কাতর কণ্ঠে ডিফেন্ডার ওয়ালী ফয়সাল বলে যান, ‘দুর্ভাগ্য বলটা ওভাবে হাতে লেগে গেলপেনাল্টিকী করব বলুন!’ কিন্তু দলের কিছু খেলোয়াড়ের মধ্যে এই তাপঅনুতাপ নেইদলবদলের গন্ধ আর কাঁড়ি কাঁড়ি টাকার ঝনঝনানির গন্ধ পাচ্ছেন তাঁরাঅনেকে ক্লাব থেকে টাকা নিয়ে এসেছেনতাঁরা পা বাঁচিয়ে খেললেন কি না সেই প্রশ্নও গেল কোচঅধিনায়কের দিকেদুজনই তা নাকচ করেছেন জোরালোভাবে

কিন্তু এমন প্রশ্ন ওঠাটাই তো দুর্ভাগ্যজনক

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful