Templates by BIGtheme NET
Home / খেলাধুলা / আরেকটি সেঞ্চুরিময় দিন

আরেকটি সেঞ্চুরিময় দিন

ম্যাচের দুই দিন পেরিয়ে গেছে অথচ তামিম ইকবাল (১৩৭) ও তাসামুল হকের (১০৭) সেঞ্চুরিতে বরিশালের বিপক্ষে প্রায় সাড়ে চার শ ছুঁয়ে ফেলা চট্টগ্রামের প্রথম ইনিংসই শেষ হয়নি এখনো। ৯৯ রানে আউট হওয়া রকিবুল হাসানের ঢাকার বিপক্ষে শামসুর রহমানের (১১৮*) অপরাজিত সেঞ্চুরিতে দারুণ জবাব দিচ্ছে ঢাকা মেট্রোও। একই অবস্থা সিলেট-রাজশাহী ম্যাচেও। অন্তত ম্যাচ জমে ওঠার মতো পরিস্থিতি এখনো হয়নি। যে ম্যাচে সিলেটের ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেনের ১৫৪ রানের ইনিংসের পর দ্বিতীয় দিনের শেষে সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখতে পারছেন রাজশাহীর ফরহাদ হোসেনও (৮০*)। ১৭-তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের তৃতীয় রাউন্ডে অবশ্য এর ব্যতিক্রমও হচ্ছে। এই যেমন খুলনা-রংপুর ম্যাচ। আগের দিনই খুলনাকে ২১১ রানে অলআউট করে দেওয়া বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা গতকাল অনায়াসেই লিড নেওয়ার পথে ছিল। কিন্তু হঠাৎই এমন বাঁকবদল যে কোনোমতেই লিড পেতে হলো নাসির হোসেনের রংপুরকে। নার্ভাস নাইনটিজে আউট হওয়া নাসিরের সেঞ্চুরি বঞ্চনার দিনে খুলনাকে এভাবে ম্যাচে ফিরিয়ে আনার নায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক আগের রাউন্ডেও ব্যাটে-বলে ছিলেন সমান উজ্জ্বল। এই রাউন্ডেও তাই। প্রথম ইনিংসে দলের চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে ত্রাণকর্তার ভূমিকায় আবির্ভূত হয়েছিলেন। ৬৩ রানের ইনিংস খেলা মিরাজ এরপর তাঁর অফস্পিনেও ঘায়েল করেছেন রংপুরকে। তবে তিনি একা নন, খুলনা অধিনায়ক বাঁহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাকও (৪/৭৭) কম যাননি। দুজনে মিলে রংপুরকে ৫৫ রানে ৩ উইকেট হারানো দলে পরিণত করার পর নাঈম ইসলামকে (৪৪) সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন নাসির হোসেন। চতুর্থ উইকেটে ৮৫ রান যোগ করার পর সেই মিরাজের বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে নাঈম বিচ্ছিন্ন হলেও হাল ধরে রাখেন রংপুর অধিনায়ক নাসির। মাঝখানে ধীমান ঘোষকে (২০) হারালেও পাঁচ উইকেট হাতে নিয়ে দুই শ পেরিয়ে যাওয়া রংপুরের লিড তখন কেবল সময়ের ব্যাপার। কিন্তু মাত্র ১৭ রানে শেষ ৫ উইকেট খুইয়ে ২২০-এ শেষ হয়ে যায় তাদের প্রথম ইনিংস। মিরাজ যখন উইকেটের পেছনে নাসিরকে ক্যাচ বানান, তখন এ তারকা ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৪ রান দূরে। দলও তখন খুলনার প্রথম ইনিংস থেকে একই ব্যবধানে পিছিয়ে। ২১১ রানে থাকতেই রংপুরের অষ্টম উইকেট তুলে নেন মিরাজ, যা ম্যাচে তাঁর ষষ্ঠ শিকার। আগের রাউন্ডে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে একমাত্র ইনিংসে ৬৭ রান করা মিরাজ ম্যাচে ৮ উইকেটও নিয়েছিলেন। এর মধ্যে প্রথম ইনিংসে ৬১ রান খরচায় শিকার ধরেছিলেন ৬টি। পরের ম্যাচেই ৫০ রানে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া বোলিং, ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে তাঁর ক্যারিয়ার সেরা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

(দ্বিতীয় দিনের শেষে)

খুলনা-রংপুর : খুলনা ২১১ ও ১৭ ওভারে ৩০/০ (মেহেদি ১৭*, ইমরুল ১৩*)।  রংপুর ৯৮.২ ওভারে ২২০ (নাসির ৯৬, নাঈম ৪৪; মিরাজ ৬/৫০, রাজ্জাক ৪/৭৭)।

ঢাকা-ঢাকা মেট্রো : ঢাকা ১১৩.৪ ওভারে ৩২৭ (রকিবুল ৯৯, মজিদ ৬৬, নাদীফ ৩৯; আরাফাত ৬/৯৬)।

ঢাকা মেট্রো ৬৬ ওভারে ২২১/৪ (শামসুর ১১৮*, সৈকত ৪৮; মোশাররফ ২/৭৩)।

চট্টগ্রাম-বরিশাল : চট্টগ্রাম ১৫১ ওভারে ৪৪৪/৭ (তামিম ১৩৭, তাসামুল ১০৭, নাফিস ৫৬, ইরফান ৪৭; সোহাগ ৩/১১৪, আল-আমিন ২/৫৬)।

সিলেট-রাজশাহী : সিলেট ১২৮.৫ ওভারে ৩২৮ (ইমতিয়াজ ১৫৪, রুমান ৮২, এনামুল জুনিয়র ২৯; সাঞ্জামুল ৪/৭৩, মঈনুল ২/৫৬, শাফাক ২/৭১)।

রাজশাহী ৪৫.৪ ওভারে ১৮৩/৩ (ফরহাদ ৮০*, নাজমুল ৬২)।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful