Templates by BIGtheme NET
Home / খেলাধুলা / আমিরকে জাতীয় দলেও বিবেচনা করছে পাকিস্তান

আমিরকে জাতীয় দলেও বিবেচনা করছে পাকিস্তান

পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা ছিল, ভোগ করেছেন। ছিল ছয় মাসের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া, সেটিও শেষ করেছেন। পাকিস্তান জাতীয় দলে আবার ফিরে আসতে স্পট ফিক্সিংয়ে নিষিদ্ধ মোহাম্মদ আমিরের সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে ছিল মাঠের ক্রিকেটে ভালো কিছু করা। পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে সেটিও বেশ ভালোভাবেই করেছেন এই বাঁহাতি পেসার। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও (পিসিবি) তাই আমিরকে আবার জাতীয় দলে ফেরানোর কথা ভাবছে।

যদিও পুরো বিষয়টা নির্বাচকদের ওপরই নির্ভর করছে বলে জানিয়েছে পিসিবি। ভিসা প্রক্রিয়া ঠিকভাবে শেষ হলে, আর নির্বাচকেরা তাঁকে দলে নিলে আগামী মাসে নিউজিল্যান্ড সফরেই পাকিস্তান জাতীয় দলে ফিরতে পারেন আমির। ২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরের সময় স্পট ফিক্সিংয়ে নিষিদ্ধ হওয়ার ৫ বছর পর আবারও জাতীয় দলে জার্সি গায়ে মাঠে নামার স্বপ্নপূরণের নিশ্বাস দূরত্বে চলে এসেছেন এই ২৩ বছর বয়সী।
গতকাল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘ছয় মাসের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষে আমির পাকিস্তানের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বেশ ভালো পারফরম করেছে। বিপিএলেও বেশ ভালো করেছে ও। জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে আরও ভালোভাবে মেশার সুযোগ করে দিতে আমিরকে ফিটনেস ক্যাম্পে ডাকা হয়েছিল। জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেও ওকে দলে নেওয়ার বিষয়টা নির্বাচকদের ওপর নির্ভর করছে।’
পিসিবি বিবৃতিতে আরও লিখেছে আমিরের ফিরে আসার তীব্র ইচ্ছা ও চেষ্টার কথা। স্পট ফিক্সিংয়ে ধরা পড়ার পর থেকেই আমির সব সময় নিজের দোষ স্বীকার করে এসেছেন। সহযোগিতা করেছেন আইনি কার্যক্রমেও। পাকিস্তানের মানুষ ও তাঁর ভক্তদের কাছে বারবারই ক্ষমা চেয়েছেন। আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট ও ব্রিটিশ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন। সেসময় ১৯ বছর বয়সী আমিরের বয়স, গ্রাম্য পরিবেশ থেকে যথাযথ শিক্ষার অধিকার বঞ্চিত হয়ে বেড়ে ওঠার কথা বিবেচনা করে আদালতও তাই তাঁকে মাত্র ছয় মাসের জেলের সাজা দিয়েছিল। যেখানে অন্য দুই অপরাধী সালমান বাট ও মোহাম্মদ আসিফকে পুরো মেয়াদ সাজা ভোগ করতে হয়েছিল।
এতে আরও লেখা হয়েছে, পিসিবি চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খানও কদিন আগে নাকি আমিরের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। আমিরের সব ধরনের আচরণই এখন সবাই গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে জানিয়ে এই বাঁহাতি পেসারকে আচার আচরণে বিনয় ও শৃঙ্খলা ধরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন শাহরিয়ার। আমিরও নাকি তাঁকে কথা দিয়েছেন, নিজের অনুশোচনা থেকেই আরও ভালো আচরণ করবেন। আর নতুন খেলোয়াড়দের জন্য একজন রোল মডেল হয়ে ওঠার চেষ্টা করবেন।
তবে পিসিবি চাইলেও, আমিরের ফিরে আসার ব্যাপারটাতে অনেক পাকিস্তানি সাবেক খেলোয়াড়ের মতবিরোধ রয়েছে। স্পট ফিক্সিংয়ে নিষিদ্ধ তিন খেলোয়াড়ের সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকেই এই তিন খেলোয়াড়কে জাতীয় দলে ফেরানোর প্রশ্নে দুই ভাগ হয়ে আছে পাকিস্তানের সাবেক খেলোয়াড়েরা। কেউ বলছেন, এঁদেরকে আরেকটি সুযোগ দেওয়া উচিত। আবার কেউ বলে আসছেন, আমিররা যেহেতু দেশের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন, তাই এঁদেরকে আজীবনের জন্য জাতীয় দল থেকে বহিষ্কার করা উচিত।
তবে পিসিবি এ ক্ষেত্রে নমনীয় রাস্তা বেছে নিয়েছে। যাঁরা আমিরকে জাতীয় দলে ফেরানোর বিপক্ষে, তাঁদের উদ্দেশে ইসলামি অনুশাসনের কথা টেনে এনে পিসিবি তাদের বিবৃতিতে লিখেছে, ‘আমরা তাঁদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে, ইসলামও এসব ক্ষেত্রে ক্ষমা করার জন্য আহ্বান জানায়।’
আমিরের এখন শুধু নির্বাচকদের কাছ থেকে ‘হ্যাঁ’ শোনার অপেক্ষা। অপেক্ষা অবশ্য আরও একটু আছে। শোনা যাচ্ছে, নিউজিল্যান্ডের ভিসা পেতে একটু সমস্যায় পড়তে পারেন আমির। নিউজিল্যান্ডের নিয়মানুযায়ী, অপরাধী কার্যক্রমে সাজা ভোগ করা কাউকে ভিসা দেওয়া যাবে না। এই ভিসা জটিলতা কাটাতে আইনি সহায়তা নিচ্ছে পিসিবি। তথ্যসূত্র: পিটিআই, ক্রিকইনফো।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful