Templates by BIGtheme NET
Home / অন্যান্য / আদ সম্প্রদায়ের সময়কাল নিয়ে বিভ্রান্তি নিরসন!

আদ সম্প্রদায়ের সময়কাল নিয়ে বিভ্রান্তি নিরসন!

অনুমান করা হয়, আদ সম্প্রদায়ের যুগ ছিলো হযরত ঈসা আ.-এর প্রায় দুই হাজার বছর পূর্বে। আর কুরআনুল কারিমে আদ সম্প্রদায়কে (নুহের সম্প্রদায়ের পরবর্তী) সম্প্রদায় বলে উল্লেখ করে হযরত নুহ আ.-এর সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

অনুমান করা হয়, আদ সম্প্রদায়ের যুগ ছিলো হযরত ঈসা আ.-এর প্রায় দুই হাজার বছর পূর্বে। আর কুরআনুল কারিমে আদ সম্প্রদায়কে (নুহের সম্প্রদায়ের পরবর্তী) সম্প্রদায় বলে উল্লেখ করে হযরত নুহ আ.-এর সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এ-কথা থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে সিরিয়া অঞ্চলের দ্বিতীয়বার আবাদ হওয়ার পর আদ সম্প্রদায় থেকেই উমামে সামিয়া অর্থা সাম বংশধরদের উন্নতি শুরু হয়।

আদ সম্প্রদায়ের বাসস্থান : আদ সম্প্রদায়ের বসবাসের কেন্দ্রস্থল ছিলো ‘আহকাফ’ অঞ্চল। এটা আরবের ‘হাযরামাউতে’র উত্তরে অবস্থিত ছিলো। এর ভৌগলিক অবস্থান এমন : এর পূর্বে ওমান, দক্ষিণে ‘হাযরামাউত’ এবং উত্তরে ‘রুবউলখালি’। কিন্তু বর্তমানে এখানে বালুর স্তূপ ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আর কোনো কোনো ইতিহাসবিদ মনে করেন, তাদের বসবাস-এলাকা আরবের সর্বোৎকৃষ্ট অংশ হাযরামাউত ও ইয়ামানে পারস্য উপসাগরের তীরে ইরাকের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো। ইয়ামান ছিলো তাদের রাজধানী।

আদ সম্প্রদায়ের ধর্ম : আদ সম্প্রদায় মূর্তিপূজক ছিলো। তাদের পূর্ববর্তী নুহ আ.-এর সম্প্রদায়ের মতো মূর্তিপূর্জা ও মূর্তিনির্মাণের কাজে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ছিলো। কোনো কোনো প্রাচীন ইতিহাসবিশেষজ্ঞ বলেন, তাদের বাতিল উপাস্যগুলো হযরত নুহ আ.-এর সম্প্রদায়ের বাতিল উপাস্যগুলোর মতো ওয়াদ, সুওয়া, ইয়াগুছ ও নাসরই ছিলো। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে একটি রেওয়ায়েত বর্ণিত আছে। তাতে বলা হয়েছে যে তাদের একটি মূর্তির নাম ছামুদ এবং অন্য একটি মূর্তির নাম ছিলো হাতার। (ছাদা নামেও তাদের একটি বিখ্যাত মূর্তি ছিলো।)

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful