Templates by BIGtheme NET
Home / জাতীয় / আজ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী

আজ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ১০ ডিসেম্বর। একাত্তরের এইদিনে যুদ্ধজাহাজ পলাশে তিনি শহাদাৎ বরণ করেন। আলোচনা, মিলাদ, শহীদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং শিশু কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতাসহ নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার শহীদ রুহুল আমিন নগরে বীরশ্রেষ্ঠ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর দিবসটি পালনের উদ্যোগ নিয়েছে।

এদিকে বীরশ্রেষ্ঠ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরটিকে পরিপূর্ণতা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁর স্বজন ও এলাকাবাসী।

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মো: রুহুল আমিন ১৯৩৫ সালে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার শহীদ রুহুল আমিন নগরে জন্মগ্রহন করেন। তিনি ১৯৫৩ সালে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নৌ-বাহিনীতে যোগদান করে আরব সাগরে অবস্থিত নানোরা দ্বীপে পিএনএস বাহাদুর-এ প্রাথমিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষ করে তিনি পিএনএস কারসাজে যোগদান করেন।

১৯৫৮ সালে তিনি পেশাগত প্রশিক্ষণ শেষ করেন এবং ১৯৬৫ সালে মেকানিশিয়ান কোর্সের জন্য নির্বাচিত হন। পিএনএস কারসাজে কোর্স সমাপ্ত করার পর রুহুল আমিন আর্টিফিসার পদে নিযুক্ত হন। ১৯৬৮ সালে চট্টগ্রাম পিএনএস বখতিয়ার নৌ-ঘাটিতে বদলি হয়ে যান। ১৯৭১ এর এপ্রিলে ঘাঁটি থেকে পালিয়ে যান তিনি। রুহুল আমিন ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত অতিক্রম করে ২ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। ১০ ডিসেম্বর খুলনার রূপসা নদীতে শত্রুপক্ষের বোমাবর্ষণে যুদ্ধজাহাজ পলাশে শহীদ হন রুহুল আমিন। রূপসা নদীর পাড়ে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

২০০৮ সালের গত ১২ মার্চ তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ শহীদ মো: রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে কমপ্লেক্সটি দেখাশোনার জন্য একজন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয় এবং বিদ্যুৎ বিলসহ আনুসাঙ্গিক খরচও জেলা পরিষদের থেকে দেওয়া হচ্ছে। গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে বিভিন্ন সময়ে বীরশ্রেষ্ঠের পরিবারকে দেওয়া সরকারি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পদকের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক বিভিন্ন বই স্থান পেয়েছে। তবে নানা সীমাবদ্ধতার কারণে গ্রন্থাগার ও জাদুঘর হিসেবে এটি এখনো পূর্ণাঙ্গতা পায়নি।

দর্শণার্র্থীদের দাবি এই স্মৃতি কমপ্লেক্সকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সমন্বিত একটি পূর্ণাঙ্গ জাদুঘরকে হিসেবে গড়ে তোলা হয়। যাতে অত্র অঞ্চলের তার মতো নতুন প্রজন্মের সন্তানরা মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারে। কমপ্লেক্সেটি তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা পরিষদও  প্রতিষ্ঠানটি ঠিকভাবে চলছে না বলে স্বীকার করেছে। নিজেদের অল্প পরিমাণ বাজেট দিয়ে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান চালানো সম্ভব নয় বিধায় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে সহযোগিতার কথা বললেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ডা. এবিএম জাফর উল্লাহ।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful